টেকনাফে নৌকা ডুবিতে ৮৩ রোহিঙ্গার মৃত্যু : সাগরে ভাসছে অসংখ্য লাশ

teknaf-pic-07.09.10217-dead.jpg

টেকনাফ টুডে ডটকম : গত ২৫ আগস্ট রাখাইনে সেদেশের সেনাদের বর্রর নির্যাতন শুরুর পর বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে গিয়ে টেকনাফ সীমান্তে এপর্যন্ত ৮৩ রোহিঙ্গার মৃত্যু ঘটেছে। এর মধ্যে অসুস্থ্য হয়ে এক রোহিঙ্গা বৃদ্ধার মৃত্যু হলেও বাকিদের মৃত্যু ঘটেছে সাগরে ও নাফ নদীতে নৌকাডুবিতে। নৌকাডুবিতে নিহতদের অধিকাংশ শিশু।

বৃহস্পতিবার একদিনে ১৩ রোহিঙ্গা নারী শিশুর মৃত্যু ঘটেছে নৌকাডুবিতে।

৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ভোরে ও সকালে ফের পৃথক নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটে। এঘটনায় ৯ লাশ উদ্ধার করেছে। নিহতের মধ্যে শিশুর সংখ্যা বেশী।
জানা যায়, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের তুলাতলী সৈকত পয়েন্টে সকাল ৭ টার দিকে ২০/২৫ জন রোহিঙ্গা বোঝাই একটি নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটে। এঘটনায় ৩ শিশু সহ ৪ জনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও স্থানীয়রা।
এছাড়া শাহপরীরদ্বীপ সৈকতে অপর একটি নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটে। এঘটনায় ৪ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। তাছাড়া হাতিয়ার ঘোনা সৈকত থেকে ১ জন, নোয়াখালী সৈকত থেকে ১ জন, শীলখালী সৈকত থেকে ১ জনসহ মোট ১৩ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। বাকী রোহিঙ্গাদের কপালে কি ঘটেছে তা জানা যায়নি। উদ্ধারকৃত মৃতদেহগুলো ইউপি সদস্যদের সহযোগীতায় দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় বঙ্গোপসাগর থেকে মা-শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী। উদ্ধারকৃত লাশ দুইটি টেকনাফ দরগাহছড়া সৈকত এলাকা দিয়ে টেকনাফ থানা পুলিশের কাছে হস্থান্তর করেছে। টেকনাফ মডেল থানা উপপরিদর্শক শেখ আশরাফুজ্জামান লাশ গ্রহন করে ইউপি মেম্বারের সহায়তায় দাফন সম্পন্ন করেছেন।

এদিকে গত কয়েকদিনে নদী-সাগর পাড়ি দিয়ে টেকনাফে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা রাখাইন মেরুল্লার তজিল, বড়ছড়ার জিন্নাত আলী সহ অনেক রোহিঙ্গা জানান সাগরে অসংখ্য লাশ ভাসতে দেখেছেন তারা।