স্বাস্থ্য সম্মত কসাই খানার অভাবে টেকনাফ পৌর শহরে যত্রতত্র স্থানে পশু জবেহঃ দেখার কেউ নেই

Teknaf-pic-22.08.2017-Copy.jpg

মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ :
টেকনাফ পৌর শহরে নির্ধারিত পশু কসাইখানা (ওয়াস রুম) নেই। যত্রতত্র স্থানে পশুজবাই করছে কসাইরা। উপজেলা প্রশাসন থেকে পশু কসাইদের লাইসেন্স যে সব শর্তারূপ করা হয়, তা কসাইরা মোটেই মানছেনা। নিয়মানুযায়ী যে দিন পশু জবেহ করা হবে এর পূর্বে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেই বাজারজাত করার নিয়ম থাকলেও এটি এখানে মানা হচ্ছে না। ফলে ভোক্তারা সন্দেহ মাথা নিয়ে বাধ্য হয়ে মাংস ক্রয় করে। ২০০২ সালে টেকনাফ পৌরসভা রূপ নেয়ার পর থেকে আজ ১৫ বছর অতিক্রান্ত হতে চলেছে, এ জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি আজো বাস্তবায়িত হয়নি। যার কারণে পৌরবাসী অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পশু জবাইর মাংস ক্রয় করছে। প্রতিদিন টেকনাফ পৌর শহরে ৮ থেকে ১০টি আবর্জনা এবং অস্বাস্থ্যকর যত্রতত্র স্থানে কসাইরা পশু জবাই করে আসছে। টেকনাফ প্রধান সড়ক নাইট্যং পাড়া হেচ্ছাখাল এবং বাস টার্মিনালে বেশীরভাগ পশু জবাই করে থাকে। যাত্রীসকল যাতায়াতের সময় জবেহকৃত পশুর নাডিবুডি ও রক্তের দুরগন্ধে নাক বন্ধ করে যাতায়াত করতে হয়। পশু জবেহ করার সময় যেসব নিয়মনীতি মানতে হয়, কসাইরা অনেক সময় অশ্লীল বাক্য দিয়ে পশু জবেহ করে। যাহা নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ দেড়যোগ অতিক্রান্ত হতে চলেছে, পৌরবাসীর ভাগ্যে জুটেনী পশুর জবেহ কসাইখানা (ওয়াস রুম)। অতচঃ পৌরবাসী নিয়মিত হোল্ডিং টেক্স দেয়ার পরও কেন? নাগরিক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত, তাহা নিয়ে পৌরবাসী গভীর উৎকণ্ঠার মধ্যে ভোগছেন। অপরদিকে পৌর শহরের ষ্টেশানও উপরের বাজারে গোস্ত বিক্রেতার কাছে ভোক্তারা প্রতারনার শিকার হচ্ছে। ওজনে কারচুপি, সনাতনপদ্ধতিতে গোস্ত পরিমাপ, বাসি গোস্ত বিক্রি, মহিশের গোস্তকে গরুর মাংস বলে বিক্রি এবং অস্বাস্থ্য কর পরিবেশ স্থানে পশু কসাইখানা (ওয়াস রুম) স্থাপন। গেল বাজেট অনুষ্ঠানে এ সংক্রান্ত বিষয়ে পৌর মেয়রকে সংবাদকর্মীরা প্রশ্ন করলে, তিনি বলেন, জায়গার অভাবে কসাইখানা স্থাপন করা যাচ্ছেনা। এ বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে ভবিষ্যতে কসাইখানা স্থাপনে প্রচেষ্টা রয়েছে।