কক্সবাজারে টেকনাফের ১৯ ইয়াবা ব্যবসায়ীর ১০ বছর কারাদন্ড

Teknaf-pic1_4-lac_yaba_25.02.jpg

টেকনাফ টুডে ডেস্ক ::
কক্সবাজারে ইয়াবা পাচারের মামলায় টেকনাফের ১৯ জনকে দশ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
সোমবার দুপুরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. ওসমান গণি এ মামলার রায় দেন বলে জানান কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি ) ফরিদুল আলম। রায় ঘোষণার সময় মামলার সকল আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলো টেকনাফ সদর ইউনিয়নের দক্ষিন লেঙ্গুরবিল এলাকার আমির হামজার ছেলে সামশুল আলম প্রকাশ কালু (৩৫), লম্বরি গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে ইলিয়াছ (২৫), লেঙ্গুরবিলের জাহিদ হোসেনের ছেলে আজিজুল (২২), নুর হোসেনের ছেলে মকবুল (২৫), আবুল হোসেনের ছেলে অছি উল্লাহ (২২), জাকির আহমদের ছেলে জাহিদ হোসেন (৩০), লম্বরি আবদুর রহিমের ছেলে ফজলুর কমির (২৭), সাবরাংয়ের আলী আহমদের ছেলে ইমাম হোসেন (৩৫), লেঙ্গুরবিলের নবী হোছনের ছেলে রুবেল (২৫), আবদুল মালেকের ছেলে আনোয়ার হোসেন (২৪), মৌলভী পাড়ার আবদুল সালামের ছেলে নুর আলম (২৫), দক্ষিন লম্বরির নুরুল হকের ছেলে খাইরুল আমিন (২২), আবদুল সালামের ছেলে জিয়াউর রহমান (২২) ও আবদুল হাকিমের ছেলে রফিক (১৬), তৈয়ব হোসেনের ছেলে আবদুল্লাহ (১৮), আবদুল মোনাফের ছেলে আয়ুব আলী (২৪), জাহাঙ্গীর আলম (৩২), আবদুর রাজ্জাকের ছেলে রুবেল (১৮), রাশেদুল হক (২৬)। আসামিদের সবাই টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
এপিপি ফরিদুল আলম বলেন, ২০১৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ভোর রাতে বঙ্গোপসাগরের টেকনাফের সেন্টমার্টিনের নিকটবর্তী সাগর থেকে কোস্টগার্ডের একটি দল দুইটি মাছ ধরার ট্রলারসহ ১৯ জনকে আটক করে। এসময় ট্রলার ২ টি তল্লাশী করে পাওয়া যায় ৪ লাখ ইয়াবা।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় কোস্টগার্ড বাদী হয়ে গ্রেপ্তার ১৯ জনের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করেন। পরে একই বছরের ১৯ এপ্রিল পুলিশ আদালতের কাছে চার্জশিট প্রদান করেন। এ নিয়ে আইনী প্রক্রিয়া শেষে ২০১৬ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর আদালত চার্জগঠন করেন।
এপিপি ফরিদুল বলেন, আদালত অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে সাক্ষী প্রমাণের পর রায় প্রদান করেন। ইয়াবা মামলায় এ রকম দ্রুত রায় প্রদান এটাই প্রথম। এর মধ্য দিয়ে কক্সবাজারের বিচারিক প্রক্রিয়ায় একটি নজির রচিত হলো।
তিনি বলেন, এ রায় প্রদানের মাধ্যমে আদালত একটি বার্তা সকলের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। এতে ইয়াবাপাচার ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা অনেকটা নিয়ন্ত্রণ হবে।