টেকনাফে কালো টাকা সাদা করতে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা মরিয়া

Y7766.jpg

মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ :
টেকনাফে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের তালিকাভূক্ত ইয়াবা কারবারীরা আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী, দুর্নীতি দমন বিভাগ (দুদক) এবং আয়কর বিভাগ থেকে বাঁচতে কালো টাকা সাদা করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ অভিজাত দোকান, যাত্রীবাহী বাস, ট্রাক, নোহা, জায়গা জমি ও ফ্লাটের মালিক বনে বৈধব্যবসার নামে এর আড়ালে চালিয়ে যাচ্ছে ইয়াবা ব্যবসা ।
অনুসন্ধানে জানা যায়, টেকনাফ সীমান্তের সমূদ্র উপকূলীয় এলাকা এবং চিহ্নিত ইয়াবা এলাকার ইয়াবা কারবারিরা মুরগির ফার্ম ব্যবসা চালিয়ে নিজেদের ইয়াবা ব্যবসায়া কলংমুক্ত করতে চায়। মুরগির ফার্ম ব্যবসা নামে মাত্র, নেপথ্যে চলছে রমরমা ইয়াবা বাণিজ্য। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এ ব্যবসাকে ওরা নিরাপদ মনে করছেন। যদিও মুরগির ফার্ম নামে বৈধব্যবসা হলেও ওরা কিন্তু অবৈধ ব্যবসা এখনো ছাড়তে পারেনী। ইয়াবা ব্যবসা থেকে যারা হঠাৎ অর্থের আঙগুল ফুলে কলাগাছে পরিনত হয়েছে, তারা কিন্তু এটি সহজেই ছাড়তে পারেনা। কারণ এটি বড়লোক হবার নেশায় ওরা বিভোর হয়েছে।

ইয়াবা বনাম মুরগির ফার্ম এলাকাগুলো হচ্ছে, সাবরাং, শাহপরীরদ্বীপ, টেকনাফ সদর, মহেশখালীয়া পাড়া, গোদারবিল, লেঙ্গুরবিল, সী-বীস সড়ক, হাবিরছড়া, মিঠাপানিরছড়া, রাজারছড়া নতুন পল্লান পাড়াসহ হ্নীলা এলাকায় যত্রতত্র স্থানে বেঙের ছাড়ার ন্যায় গড়ে উঠেছে, মুরগির ফার্ম এর রমরমা বাণিজ্য।

খোঁজ নিয়ে আরো জানা গেছে, টেকনাফ সী-বিচ সড়কের দক্ষিণ-পার্শ্বে লেঙ্গুরবিল ও জাঁহালিয়া পাড়া এলাকায় কয়েকজন তালিকাভূক্ত শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী কালো টাকা সাদা করতে বিশাল আকারে মুরগির ফার্ম ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। দৈনিক ৫ থেকে ১০ হাজার ডিম এসব প্রতিষ্ঠান থেকে উৎপাদিত হয় বলে জানা যায়। এর পরও নেপথ্যে চালিয়ে যাচ্ছে, ইয়াবা ব্যবসা।

সমূদ্র সৈকতে যে ক’টি মৎস্য ঘাট রয়েছে, তার মধ্যে সাবরাং কাটাবনিয়া, খুরেরমূখ, মুন্ডার ডেইল, মহিশখালীয়া পাড়া, লেঙ্গুরবিল ও হাবিরছড়া, মৎস্য ঘাট দিয়ে দুদেশের জেলেদের মাধ্যমে হাত বদল হয়ে মৎস্যের আড়ালে ইয়াবার বস্তা খালাস হয়ে মুরগির ফার্মে মওজুদ হয়। পরে সেখান থেকে বিভিন্ন পণ্যভর্তি ট্রাকের আড়ালে পাচার হয়ে যায়। উল্লেখ্য টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ টেকনাফ মহিশখালীয়া পাড়া সী-বীচ সংলগ্ন মৎস্য খামারে অভিযান চালি ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করে।