টেকনাফে পুলিশী অভিযানে আটক হোসাইন মেম্বার মুক্ত

mem.hossain-_nilla.jpg

টেকনাফ টুডে ডটকম :
টেকনাফে পুলিশের সাঁড়াশী অভিযানে আটক হ্নীলা ইউপি মেম্বার হোসাইন আহমদকে যাছাই বাছাইয়ের পর অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অপরদিকে ইয়াবা ও অন্যান্য অভিযুগে আটক অন্যদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় আদালতে প্রেরন করা হচ্ছে।
জানা যায়, টেকনাফে ইয়াবা বিরোধী সাঁড়াশী অভিযান চালিয়ে প্রায় ২৪ হাজার পিচ ইয়াবা সহ ১৯ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ইয়াবাসহ এক ইউপি সদস্যের স্ত্রী রয়েছে। কক্সবাজার জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরুজুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উখিয়া-টেকনাফ সার্কেল) ছাউলাউ মারমা ও টেকনাফ থানার ওসি তদন্ত শেখ আশরাফুজ্জামানের নেতৃত্বে ২ আগস্ট ভোররাতে টেকনাফের হ্নীলা ও হোয়াইক্যং ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে গোয়েন্দা, জেলা ও থানা পুলিশের সদস্যরা যৌথ ভাবে এ সাঁড়াশী অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় হ্নীলা হ্নীলা পানখালী এলাকায় অভিযানে গেলে পুলিশের উপর হামলা ও গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশও আতœরক্ষার্থে ২০/২৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। এতে হ্নীলা পানখালী এলাকার ইউপি সদস্য মৃত সোনা আলীর ছেলে হোছন আহম্মদ(৪৮) ও একই এলাকার মৃত আহমদুর রহমানের ছেলে লুৎফর রহমান সুমন ও ইউছুফ আলীর ছেলে শামসুল আলকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে পুলিশ ৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ ইউপি সদস্যের ভাই আলী আহম্মদ (৩২) কে গ্রেফতার করে।
অপরদিকে পুলিশের অভিযানে হ্নীলা ফুলের ডেইল এলাকার ইউপি সদস্য ইয়াবা স¤্রাট শামসুল আলম বাবুলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ তার স্ত্রী ছালেহা বেগম (৩০) কে গ্রেফতার করা হয়।
এছাড়া হ্নীলা পানখালী এলাকা থেকে আবছার উদ্দিন (৩২), সিকদার পাড়া এলাকা থেকে ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ শামসুদ্দীন(৫০) ও হোয়াইক্যং খারাংখালী নাছার পাড়া এলাকার মৃত সোলেমানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ১শ পিস ইয়াবাসহ নবী হোছন (৩৮) ও সিরাজ মিয়া (২৮), কাটাখালী এলাকা থেকে ১৮শ পিস ইয়াবাসহ খায়রুল বশর (৪২)কে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
পানখালী এলাকা থেকে গ্রেফতার শামসুল আলম ও সুমন সহ ৭০/৮০ জনকে পলাতক আসামী করে পুলিশের উপর হামলা ও সরকারি কাজে বাঁধা প্রদানের দায়ে মামলা করা হয়েছে। একই সময় গ্রেফতার মধ্যে ইউপি সদস্য হোছন আহম্মদকে যাচাই বাছাইয়ের পর ঘটনায় জড়িত না থাকায় সন্ধায় অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন থানার ওসি তদন্ত শেখ আশরাফুজ্জামান।

তিনি আরও জানান, এ অভিযানে গ্রেফতার অন্যান্যদের বিরুদ্ধে যাচাই বাছাই করে অভিযোগ পাওয়া না গেলে মুচলেখা নিয়ে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, জেলা আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে আওয়ামীলীগ নেতা ও হ্নীলা ইউপি মেম্বার হোসাইন আহমদকে পুলিশ ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।