ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা

IMG20170801120439.jpg

শামীম ইকবাল চৌধুরী,নাইক্ষ্যংছড়ি(বান্দরবান)থেকে::
আগামী ৫ আগস্ট ২০১৭ সারাদেশে একযোগে উদযাপিত হবে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। এ উপলক্ষে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ আগষ্ট) সকালে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মোঃ সালমান করিম খাঁন। স্বাস্থ্য সহকারি মোঃ শাহজাহানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ও বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর ইউনয়িন পরিষদ চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল চৌধুরী, এস,আই মনিরুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দ্বিতীয়ময় চাকমা, নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের সভাপতি শামীম ইকবাল চৌধুরী, যুগ্ন সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম কাজল, উপজেলা ব্রাক ব্যবস্থাপক সুমন দাশ, সূর্য হাসি ক্লিনিক ব্যবস্থাপক সরওয়ার্দী রাতুল, স্বাস্থ্য পরিদর্শক(নাইক্ষ্যংছড়ি) পল্লব বড়–য়া, গ্রাম উন্নয়ন বোর্ডে উপজেলা পরিদর্শক আব্দু রহমান, সহকারি স্বাস্থ্য পরিদর্শক(ঘুমধূম) আবুল কালাম আজাদ, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক(বাইশারী) মোঃ আলম, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের (এম,টি,পি,আই )মধু সুদন দেব প্রমূখ। সভায় জানানো হয়, মানবদেহে ভিটামিন ‘এ’ তৈরি হয় না তাই এটা বাইরে থেকে গ্রহণ করতে হয়। শিশুর জন্মের প্রথম ৬ মাসে মায়ের দুধে পর্যাপ্ত ভিটামিন ‘এ’ থাকে কিন্তু পরবর্তীতে শিশুর বাড়ন্ত সময়ে অধিক ভিটামিন ‘এ’র চাহিদার প্রেক্ষিতে সম্পূরক খাদ্য হিসেবে এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। অল্প সময়ে এটি অত্যন্ত কার্যকরী একটি কৌশল যা পরবর্তী ৪-৬ মাস পর্যন্ত শিশুর দেহে ভিটামিন ‘এ’ স্বাভাবিক রাখতে সক্ষম। পাঁচ বছরের নিচের বয়সের শিশুরা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এ সময়ে তাদেরকে এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। ভিটামিন ‘এ’ অভাবে চোখের ক্ষতিকর প্রভাবসহ শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল বৃদ্ধি পায়, স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, রক্তস্বল্পতা এবং ত্বকের শুষ্কতা বৃদ্ধি ও ত্বক মলিন হয়ে যায়।

সভাপতির বক্তৃতায় ডাঃ সালমান করিম খাঁন বলেন, প্রতিটি শিশুকে ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করতে প্রয়োজন অভিভাবকদের সচেতন করা ও ব্যাপক প্রচার-প্রচারনার। এ জন্য তিনি সরকারি-বেসরকারি মিডিয়া, বিভিন্ন মসজিদের ইমাম গণদের এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি ক্যাম্পেইন সফল করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
এ বিষয়ে পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করেন ব্রাকের ব্যবস্থাপক সুমন দাশ। সভায় উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং সংশিষ্ট এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ গ্রহণ করেন।