রামুতে মাদক সেবনকারীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে

tt-pic_12-1.jpg

গোলাম মওলা রামু ।
কক্সবাজার রামু উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা সেবন আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। ধ্বংসাত্মক এ ইয়াবা গ্রাস করছে রামুর ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে। ইয়াবার করাল গ্রাসের শিকার হচ্ছে নতুন প্রজন্মের শিশু কিশোর,যুবকসহ কলেজ পড়–য়া ছাত্রসমাজ।

জানাগেছে,ইতিপূর্বে রামু উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিজিবি ,র‌্যাব,পুলিশের অভিযানে ইয়াবা, হিরোইন,বিদেশী মদসহ দেশীয় সোলাই মদ আটক করলেও রোধ করা যাচ্ছে না মাদকসেবী ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের দৌরাত্ব।কারণ আসল মাদক ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের ইশারায় ইয়াবা মত মরন নেশার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

রামুর সচেতন মহল মন করেন, মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীর সংখ্যা দিনদিন বৃদ্ধি পাওয়ার মুল কারণ হচ্ছে, দীর্ঘদিন ধরে মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের কোন অভিযান না থাকায় ইয়াবার কালো থাবা ছড়িয়ে পড়ছে রামু উপজেলার গ্রামে-গঞ্জে।

রামুর প্রধান আরকান সড়ক দিয়ে মরিচ্যা যৌথ চেকপোষ্ট ও রামু থানার পুলিশের নিরাপত্তা বেষ্টনি ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন স্পটে পৌঁছে যাচ্ছে এ মরণ নেশা। এ সর্বনাশা মাদক ব্যবসা রোধ করতে না পারায় ইয়াবা সেবনকারীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, বর্তমানে গ্রামের বিভিন্ন বসতবাড়ীতে এবং রাতের আধারে সরকারি হাসপাতাল , কলেজ ,স্কুল পরিত্যাক্ত ভবনে প্রকাশ্যে ও গোপনে উঠতি বয়সের তরুনেরা ইয়াবা সেবন করছে ।

এছাড়া প্রশাসন কতৃক চিহ্নিত কিছু যুবক এ ইয়াবা ব্যবসা এলাকায় প্রকাশ্যে চালিয়ে যাচ্ছে এবং সহজেই সেবনকারীরা হাতের নাগালে ইয়াবা পেয়ে যায়।

রামুর সাধারণ মানুষে অভিযোগ রয়েছে , পুলিশ.বিজিবি,র‌্যাবের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ীরা গ্রেফতার হলেও মাস না পুরাতে জামিনে ছাড়া পেয়ে আবারো ইয়াবাসহ বিভন্ন মাদকদ্রব্য বিক্রি করা শুরু করে।

বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মতে ক্ষতিকর ইয়াবা এমন এক জাতীয় মাদক যা মস্তিষ্ককে উদ্দীপ্ত করে তুলে । যারফলে ইয়াবা সেবনে প্রতিদিন মানব মস্তিষ্কের অসংখ্য কোষের অপমৃত্যু ঘটে ।মাত্রাতিরিক্ত সেবনের কারনে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যু হতে পারে। পাশাপাশি যৌন ক্ষমতা পুরুষত্ব অসময়ে নষ্ট হয়ে যায়।