টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে ৩লাখ ৬২হাজার ইয়াবা উদ্ধার : ৩ মিয়ানমার নাগরিক আটক

22486-Copy.jpg

হুমায়ুন রশিদ, টেকনাফ :
টেকনাফে বিজিবি জওয়ানেরা পৃথক অভিযান চালিয়ে ৩লাখ ৬২হাজার ৪শ ৬৮পিস ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করেছে। ইয়াবা বহনে জড়িত ৩মিয়ানমার নাগরিককে আটক করে থানায় সোর্পদ করা হয়েছে। সুত্র জানায়, ৩১ জুলাই ভোররাত ২টারদিকে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের দমদমিয়া বিওপির হাবিলদার লুৎফুর রহমান মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান আসার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হ্নীলা ইউপির নয়াপাড়া,মোচনী ও লেদা এলাকা বরাবর নাফনদীতে অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পর ৫/৬জন লোক একটি নৌকা নিয়ে কিনারায় ভিড়লে বেড়িবাঁধে অবস্থানরত টহল দল চ্যালেঞ্জ করামাত্র কেওড়া বাগানে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। নদী হতে টহল দল এগিয়ে আসলে ৩টি বস্তা ফেলে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল হতে বস্তা ৩টি উদ্ধার করে ব্যাটালিয়ন সদরে নিয়ে গণনা করে ১০কোটি ২০লক্ষ টাকার ৩লক্ষ ৪০হাজার ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়। পরবর্তীতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা,মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধি,স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করার জন্য ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে। অপরদিকে গত ৩০জুলাই রাত ৯টারদিকে টেকনাফ বিওপির সুবেদার মোঃ ইব্রাহীম হোসেন মিয়ানমার হতে ইয়াবার চালান আসার সংবাদ পেয়ে বিশেষ টহল দল নিয়ে নাইট্যং পাড়া বরাবর নাফনদীতে অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পর ৩জন ব্যক্তি নৌকা নিয়ে কিনারায় পৌঁছলে বিজিবি জওয়ানেরা চ্যালেঞ্জ করামাত্র কেওড়া বনে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তখন বিজিবি জওয়ানেরা চারদিকে ঘেরাও করে তল্লাশী চালিয়ে মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার মন্ডু থানার নাইট্যংখিলের মোঃ ইউনুছ আলীর পুত্র মোঃ আবু ফয়াজ (৪০),আব্দুর রশিদের পুত্র মোঃ শফিক (২০) ও নোয়াপাড়ার ফজল আহমদের পুত্র মোঃ রফিক (২৫) কে আটক করে। পরে তাদের দেহ তল্লাশী করে কোমরে ফিটিং অবস্থায় ২২হাজার ৪শ ৬৮পিস ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য ৬৭লক্ষ ৪৫হাজার ৮শ টাকা। এছাড়া তাদের ব্যবহৃত ২টি মোবাইল ফোন,১টি কাঠের নৌকা উদ্ধার করে। ধৃতদের নিষিদ্ধ মাদক বহন ও অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনের পৃথক মামলা দায়েরের পর টেকনাফ মডেল থানায় সোর্পদ করা হয়েছে। টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল এসএম আরিফুল ইসলাম অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেন।