কক্সবাজারে গভীর সাগরে র‌্যাবের অভিযান ৫ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, মিয়ানমার নাগরিকসহ আটক-৯, ট্রলার জব্দ

890.jpg

বলরাম দাশ অনুপম, কক্সবাজার থেকে ॥

কক্সবাজারে বঙ্গোপসাগরে অভিযান চালিয়ে ৫ লাখ ইয়াবাসহ ৯ জনকে আটক করেছে র‌্যাব। এসময়য় একটি ফিশিং ট্রলারও জব্দ করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে ৫ জন মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছে।

জানা যায়- শুক্রবার বিকেল ৫ টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিয়ানমার থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা বোঝাই একটি ফিশিং ট্রলার কক্সবাজারের দিকে যাওয়ার খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে: কর্ণেল মিফতাহ উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে একদল র‌্যাব সদস্য সমুদ্র সৈকতের ইনানী-হিমছড়ি পয়েন্টের গভীর সমুদ্রে উক্ত ফিশিং ট্রলারটি ধাওয়া করে আটক করে।

আটককৃত ফিশিং ট্রলারটির নাম এফবি জানিবা খালেদা-১।

পরে সেখানে তল্লাশি চালিয়ে ট্রলারে মাছ রাখার প্রকোষ্ঠের ভিতরে লুকানো অবস্থায় সাড়ে ৪ লক্ষ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সেসময় সেখান থেকে আটক করা হয় ৮ জনকে।

আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়-ইয়াবাগুলোর মালিক কক্সবাজার শহরের দক্ষিণ রুমালিয়ারছড়ার আবু বক্করের পুত্র মোঃ সুলতান আহমদের। পরে সুলতান আহমদের বাসায় অভিযান চালিয়ে ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ তাকেও আটক করা হয়।

আটককৃত বাকীরা হলো- কুতুপালং এর নুর মোহাম্মদের পুত্র মোঃ হাবিবুল্লাহ (মিয়ানমারের নাগরিক), খাগড়াছড়ি রামগড় মালবাগানের মৃত সামছুল হকের পুত্র মিজানুর রহমান, কুতুপালং ক্যাম্পের মোঃ আব্দুল্লাহর পুত্র জাহিদ হোসেন (মিয়ানমারের নাগরিক), ট্রলার চালক ও লক্ষীপুর রামগতি আলেকজান্ডারের আ: মতলবের পুত্র আব্দুর রউফ, মন্ডু মুন্সি পাড়ার নুর বশরের পুত্র মোঃ জাহাঙ্গীর (মিয়ানমারের নাগরিক), কুতুপালং ক্যাম্পের সৈয়দ হোসেনের পুত্র মোঃ আ: হামিদ (মিয়ানমারের নাগরিক), রংপুর মিঠাপুর বৈরাতির হাট গয়েশপুরের আ: গফুরের পুত্র আ: রাজ্জাক মিয়া ও মন্ডু মুন্সিপাড়ার আ: রাজ্জাকের পুত্র মোঃ ওসমান গণি (মিয়ানমারের নাগরিক)।

শনিবার সকালে র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কক্সবাজার ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোঃ রুহুল আমিন। তিনি আরো জানান-উদ্ধারকৃত ইয়াবার মূল্য ২০ কোটি টাকা।