উখিয়ায় শুধু একটি সেতুই বদলে দিতে পারে এলাকাবাসীর ভাগ্য

6789654.jpg

এম,এস রানা :
উখিয়ার হরিনমারা খালের এক সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগের শিকার শত গ্রামবাসী, বর্তমানে জরাজীর্ণ কাঠের তৈরী সেতুটি ভেঙ্গে গিযে অনাকাংখিত মারান্তক দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে চলাচল কারী পথচারী সহ বিদ্যালযের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা।
সরেজমিনে দেখা যায় উখিয়া রাজাপালং ইউনিয়নের হরিনমারা ষ্টেশনের দক্ষিন পার্শের তেতুল গাছ সংলগ্ন হরিনমারা খালের উপর নির্মিত একটি জরাজীর্ন কাঠের সেতু। দীর্ঘ চার বছরের পুরানো কাঠের সেতুর খুটির অধিকাংশ পঁচে গিযে হেলে পড়েছে,নষ্ট হয়ে গেছে পারাপারের জন্য বিছানো কাঠের তত্তা এবং তা দিয়ে প্রতিনিয়ত ঝুকি নিয়ে পার হচ্ছে শত-শত গ্রামবাসী, স্হানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায় দক্ষিন- পশ্চিম হরিনমারা ও নলিকাঘোনার প্রায় ৬০/৭০ পরিবারের শত শত গ্রামবাসী যাতায়তের এক মাত্র মাধ্যম ঐ গ্রামীন সড়ক । তেতুল গাছ সংলগ্ন হরিনমারা খাল দিয়ে শুষ্ক মৌসুমে কোনমতে হেটে পার হলেও বর্ষা মৌসুমে সীমাহিন দুর্ভোগ পুহাতে হতো, বিগত চার বছর আগে স্হানীয় মহিলা মেম্বার কামরুন্নেছার একান্ত প্রচেষ্টায় একটি কাঠের সেতু নির্মান করে দিলেও বর্তমানে তা পারা-পারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে গ্রামীন জনপদের ব্রিজ টি।
এলাকাবাসী ফারুক আহমদ জানান, উখিয়া সদর ষ্টেশন ও কোটবাজারে সওদা বিভিন্ন বানিজ্যকর্মে এ সেতুর উপর দিয়েই স্হানীয়দের প্রঃতিনিয়ত যাতায়ত করতে হয়, এ ছাড়াও স্কুল,মাদ্রাসার ৫০/৬০ ছাত্র-ছাত্রীকে পড়া-লেখা করতে ঐ নড়বড়ে কাঠের সেতু দিয়ে প্রতিদিন যেতে হয়,দেখা গেছে অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের সেতু পার করে দিতে সংসারের শত কাজ ফেলে ভাঙ্গা সেতু পর্যন্ত এগিয়ে আসে, কারন তারা তাদের সন্তান কে নিয়ে কোন ঝুকি নিতে চান না। স্হানীয় মেম্বার মোঃ শাহজাহান বলেন, বর্তমান সরকারের সময় সারাদেশে ব্যপক উন্নয়নের ছোঁয়া লাগলেও এলাকার ৬০/৭০ টি পরিবারের শত মানুষ রয়ে গেছে চরম অবহেলিত এখানের শত জন সাধারনের মধ্যে অধিকাংশ রয়েছে দরিদ্রসীমার নিছে, অনেকে জঙ্গল থেকে শুকনো লাকড়ী কুড়িয়ে বাজারে বিক্রি করার পাশা-পাশি ক্ষেত খামারী করে জীবন নিবাহ করে থাকে, এবং তাদের প্রতিদিন ঐ সব লাকড়ী বা তরী তরকারী উখিয়া কোটবাজার সহ জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রির করার জন্য কাঁধে করে নিয়ে যেতে হয় তাছাড়াএ রোগ বালাই যে কোন মুচিবতে ডাক্তার ও হাসপাতালে রোগীকে নিতে হয় কাঁধে ভার করে পরিবহন যোগাযোগ ব্যবস্হা না থাকায অধিকাংশ রোগী হাসপাতালে পৌছার আগেই জীবনের প্রদিপ নিভে যায় মাঝ পথেই। সেতুটি যদি হয় তাহলে যে কোন গাড়ি পারাপার করতে পারবে, ফলে হাজারো দূর্দশা থেকে মুক্তি পাবে, বদলে দিতে পারে শতশত গ্রামবাসীর ভাগ্য।
এলাকার শত জন সাধারনের। ইতিমধ্যে ঝুকিপুর্ন সেতুর ব্যপারে রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর নিকট একটি আবেদন এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে করা হলেও হতাশা কাটেনিগ্রামবাসীর।
সপ্নের তেতুল গাছ সংলগ্ন ঝুকিপুর্ন সেতুটির দিকে সু-নজর দেওয়ার জন্য উখিয়া টেকনাফের উন্নয়নের কান্ডারী আবদুর রহমান বদি এমপির আকুল আবেদন জানিয়েছে অবহেলিক দক্ষিন- পশ্চিম হরিনমারা বাসী।