চকরিয়ায় বাস-মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে অগ্নিদগ্ধহয়ে নারী ও শিশুসহ নিহত-৩

unnamed-1.jpg

এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া :
চকরিয়ায় যাত্রীবাহি বাস ও পর্যটকবাহি নোহা মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আগুনে দগ্ধ হয়ে নারী- শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছে। এ সময় মাইক্রেবাসের অপর ৯ যাত্রী অগ্নিদগ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা হাসপাতালে ও পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদেরকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ের উপজেলার হারবাং গয়ালমারা এলাকার ঘটেছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন ঢাকার নিউমার্কেট কাঁচা বাজার এলাকার মোমিন হোসেনের স্ত্রী আফিয়া বেগম (৫৪), তার নাতি ইয়ামিন (১বছর) ও মাইক্রোবাসের চালক চাঁদপুর জেলার মহেশপুর উপজেলার আবুল পাটোয়ারীর ছেলে আরিফ পাটোয়ারী (৩৫)।
আহতরা হলেন মাইক্রোবাসের যাত্রী পর্যটক মাসুদ রানা (৩৫), তার স্ত্রী শাহিনুর আক্তার (২৫), ছেলে বায়েজিদ, কন্যা স্মৃতি, একই এলাকার সাইফুল ইসলাম, তার দুই মেয়ে সাদিয়া, তাকসিন ও গৃহকর্মী রোমানা ।
চকরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মো.কামরুল আজম জানান, বৃহস্পতিবার সকালে একটি নারী-শিশুসহ ১২সদস্য ঢাকা থেকে ভ্রমন করতে নোহা মাইক্রোবাসে করে কক্সবাজার আসছিলেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে মাইক্রোবাসটি কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার হারবাং গয়ালমারা এলাকায় পৌছলে বিপরীত দিক কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসের সাথে ঘটনাস্থলে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ওসি আরো জানান, সংঘর্ষের এক পর্যায়ে মাইক্রোবাসের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্পোরিত হয়ে গাড়িতে আগুন লেগে যায়। এতে অগ্নিদ্বগ্ধ হয়ে নারী, শিশু ও চালকসহ তিনজন মারা যায়। আহতদেরকে তাৎক্ষনিক উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা হাসপাতাল ও পরে অবস্থার অবনতি ঘটলে তাদেরকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
উপজেলার চিরিঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের সার্জেন্ট মাইদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পরপর হাইওয়ে পুলিশের একটিদল ঘটনাস্থলে পৌঁছৈ দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার ব্যবস্থা করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে নিহত তিনজনের মরদেহ উদ্ধার এবং দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দুটি জব্দ করা হয়। তিনি বলেন, গতকাল শুক্রবার সকালে নিহত তিনজনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।