ঘুমধুমে নিখোঁজ ব্যক্তির ভাসমান লাশ উদ্ধারঃ ঘটনাকে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা

Follow20Up.jpg

রফিক মাহমুদ, উখিয়া॥
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী ঘুমধুম ইউনিয়নের ফাত্রাঝিরি এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় মরাইয়া (২৫) নামে এক ব্যাক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত রবিবার ২৯ জানুয়ারী বিকাল ৩টার দিকে নদীতে মৃত ব্যক্তির লাশ ভাসতে দেখে গ্রামবাসী পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে ফাত্রাঝিরি এলাকার ভালুকিয়া থিমছড়ি বড়খাল থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। সে ওই এলাকার অংতাই অংয়ের ছেলে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ইউপি মেম্বার বাবুল কান্তি চাকমা ও গ্রাম পুলিশ প্রধান ছৈয়দ আলম জানান, গত বুধবার সকালে পাহাড়ে ফুল ঝাড়– আনতে গিয়ে নিখোঁজ হয় মরাইয়া নামের ওই যুবক। এর পর থেকে তাঁর স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খুঁজাখুঁজি করে আসছিল। সর্বশেষ রবিবার বিকালে জনৈক এখলাস মিয়া নামে এক ব্যাক্তি খালে ভাসমান অবস্থায় একটি লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। সন্ধ্যায় ঘুমধুম ফাঁড়ি পুলিশ লাশের সুরুতহাল সংগ্রহ করে মরাইয়ার লাশ উদ্ধার করে।
ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই এরশাদ উল্লাহ জানান- লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে। উদ্ধারকৃত ব্যাক্তির গায়ের কোন আঘাতের চিহ্ন নাই বলে জানান তিনি। লাশটি ৩/৪দিন আগের হওয়ায় গায়ের চামরায় পচন ধরেছে।
স্থানীয় মহিলা মেম্বার চিং মে জানান, মরাইয়া নামের যুবকটি শারিরীক প্রতিবন্ধি ছিল। তিনি মৃগী রোগে আক্রান্ত রোগী ছিল। কয়েকদিন পূর্বে পাহাড়ে ফুল ঝাড়– সংগ্রহ করতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। খালের মধ্যে লাশ ভাসতে দেখে উদ্ধার করে ময়না তদন্ত শেষে দাহ ক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
এব্যাপারে ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একে.এম জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য স্থানীয় কিছু ব্যক্তি ষড়যন্ত্র মূলক মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সে কী আসলে হত্যা হয়েছে না অন্য কারনে মারা গেছে তা ময়না তদন্তের রিপোর্ট না দেওয়া পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না।