ফলোআপ : টেকনাফে অপহরণের ২৮ দিন পেরিয়ে গেলেও উদ্ধার হয়নি কিশোরী মাসুমা আক্তার ঈদরানী

Eid-rani-22-1.jpg

নিজস্ব প্রতিনিধি, টেকনাফ |
টেকনাফে অপহরণের ২৮ দিন পেরিয়ে গেলেও উদ্ধার হয়নি কিশোরী মাসুমা আক্তার ঈদরানী।
অপহরণের পর থানা পুলিশের শরণাপন্ন হয়ে নারী নির্যাতন আইনে অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পরও কিশোরী মেয়েকে উদ্ধার করতে না পারায় বর্তমানে মাসুমার পরিবারে চরম হতাশা নেমে এসেছে। মেয়েকে আদৌ উদ্ধার করতে পারবে কিনা তা নিয়ে দেখা দিয়েছে আশংকা।
অপরদিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রহস্যজনক আচরন করছেন বলে অভিযোগ করছেন তার পরিবার।
মামলার সূত্রে ও ঈদরানীর পিতা মোঃ নুরুল হক জানান, বিয়ের প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় গত ২৮ ডিসেম্বর পৌরসভার পল্লান পাড়া এলাকার ভাড়া বাসা থেকে মার্কেটিংয়ে যাওয়ার পথে অপহরণের শিকার
হন মাসুমা আক্তার ঈদ রানী (১৭)। টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মহেষখালীয়া পাড়া এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনের নেতৃত্বে অপহরনকারীরা এসময় তাকে জোরপূর্বক সিএনজিতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে মেয়েকে উদ্ধারের জন্য চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে থানা পুলিশের শরণাপন্ন হন। ঘটনার কয়েকদিন পর অপহৃতের পিতা বাদী হয়ে মোঃ জাহাঙ্গীরকে প্রধান আসামী করে মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। কিন্তু ঘটনার ২৮ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও মেয়েকে উদ্ধার করতে না পেরে মা-বাবাসহ পরিবার মেয়ের জন্য অজানা আতংকায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন।
ঈদ রানীর পিতা জানান, জাহাঙ্গীর নামে বখাটে যুবককে তার মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে মেয়ে অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তিনি প্রস্তাবে রাজী হননি।
এদিকে মামলা দায়েরের পর উক্ত মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয় থানার উপ পরিদর্শক আব্দুর রহিমকে। কিন্তু প্রায় ১ মাস সময় অতিবাহিত হতে চললেও উক্ত কিশোরীকে উদ্ধার ও অপহরণকারীদের আটক করতে পারেননি। এতে উক্ত কর্মকর্তার আন্তরিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ঈদরানীর পরিবার।
জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা টেকনাফ থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুর রহিম জানান, অপহৃত ঈদ রানীকে উদ্ধার ও অপহরণকারীদের আটকে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে, ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে তারা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে
শীঘ্রই তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।