টেকনাফে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে বিষাক্ত রং মিশ্রিত চিপ্স ও পাপড় জাতীয় খাবার

444.jpg

সাইফুল ইসলাম,টেকনাফ : টেকনাফ উপজেলার সর্বত্রে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে বিষাক্ত রং মিশ্রিত নিম্ন মানের উপকরণ দিয়ে তৈরী পাপড়, চিপস জাতীয় বিভিন্ন ধরনের খাবার। আর রং মিশানো এসব খাবার খেয়ে মানুষ বিশেষ করে ছোট বয়সের বাচ্চারা পেটের পীড়া,গ্যাস্ট্রিক,কোষ্ঠকাঠিন্য, আলসার, লিভার সিরোসিসসহ বিভিন্ন ধরনের জটিল ও কঠিন রোগ ব্যাধিতে ভোগার আশংকা দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন বিভিন্ন পাইকারী ও খুচরা দোকানে বিশেষ করে টেকনাফের লামার বাজার,উপর বাজার,ষ্টেশন বাজারে গিয়ে দেখা যায়, কেজি প্রতি একশ টাকায় বিক্রি হচ্ছে রং মিশ্রিত খাবার।

খবর নিয়ে জানা যায়,টেকনাফের হ্নীলা, হোয়াইক্যং, শাপলাপুর বাজারের বিভিন্ন দোকানেও বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী এসব খাবার। টেকনাফ লামার বাজারের যিশু বাবুর দোকানে,উপর বাজারের অনিক ওয়ান ষ্টোর,বাজিব ষ্টোরে বিষাক্ত রং মিশ্রিত খাবারগুলো দেদারছে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়াও আরো কিছু কিছু অসাধু ব্যাবসায়ী বেশী মুনাফা লাভের আশায় মেয়াদ উত্তীর্ণ আটা- ময়দা ও নানা বর্ণের ক্ষতিকর রং মিশিয়ে এসব খাবারগুলো বাজারজাত করে চলছে। বর্তমানে এসব খাবার মানে খারাপ তবে দামে সস্তা হওয়ায় গ্রাম,পাড়া,মহল্লার সহজে বেশী বিক্রি হচ্ছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়।

টেকনাফ পৌরসভা প্যালেন মেয়র আবদুল্লাহ মনির বলেন, টেকনাফ উপজেলার রিভিন্ন দোকানে বিষাক্ত রং মিশ্রিত পাপড় ও চিপ্স জাতীয় খাবার বিক্রির ফলে বিভিন্ন বয়সের মানুষ থেকে শুরু করে বিশেষ করে স্কুল,মাদ্রাসা পড়ুয়া কোমলমতি শিশুরা স্বাস্হ্গত বিভিন্ন ধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তারা এসব খাবার বেচা বিক্রি বন্ধে দ্রুত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় নিয়ে জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

টেকনাফ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: এনামুল হক বলেন,বিষাক্ত উপকরণ দিয়ে তৈরী খাবার খেলে মানুষ গ্যাস্ট্রিক,আলসার,ক্যান্সার,ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। আর বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলারা এসব খাবার গ্রহণ করলে পেঠের বাচ্চাসহ মায়েরা জটিল সমস্যা পড়তে পারেন। তাই রং মিশানো খাবার বর্জন করা সকলেই উচিত।