কক্সবাজারে ভাশুরের হাতে ধর্ষিত ছোট ভাইয়ের বউ

gangrape.jpg

বিশেষ সংবাদদাতা:
কক্সবাজার শহরের এন্ডারসন রোডের আবাসিক হোটেল গার্ডেনে ভাশুরের হাতে ধর্ষিত হলো ছোট ভাইয়ের বউ। ধর্ষিতা (নাম প্রকাশ করা হলোনা) বর্তমানে জেলা সদর হাসপাাতালে চিকিৎসাধীন। ধর্ষক ভাশুরের নাম বশির আহমদ। তিনি রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ এলাকার অছির আহমদের ছেলে। ধর্ষিতার স্বামী মোহাম্মদ বাবুল পেশায় রিক্সা চালক।
গত সোমবার (২৩ জানুয়ারী) ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটলেও লোক লজ্জায় প্রকাশ করেনি ধর্ষিতা। অবশেষে যন্ত্রণা সইতে না পেরে বুধবার (২৫ জানুয়ারী) ঘটনাটির ব্যাপারে মুখ খোলেন তিনি।
খবর পেয়ে বুধবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকর্মীরা জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ধর্ষিতাকে দেখতে গেলে বর্ণনা দেন লোহহর্ষক ঘটনার।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমার স্বামী কক্সবাজার শহরে রিক্সা চালায়। সোমবার বাড়ী থেকে টাকার জন্য এসেছিলাম স্বামীর কাছে। ওই দিন সন্ধ্যায় ভাশুর বশির আহমদ আমাকে স্বামীর কাছে নিয়ে যাচ্ছে বলে হোটেল গার্ডেনের একটি কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে আমাকে সারারাত আটকিয়ে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরের দিন মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারী) সকালে ভাশুর বশির আহমদ বাথ রুমে ঢুকলে আমি পালিয়ে আসি। এরপর স্বামীকে খবর দিয়ে থানাকে বিষয়টি অবহিত করলে আমাকে জরুরী ভিত্তিতে আগে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেয়।
ধর্ষিতার স্বামী মোহাম্মদ বাবুল তার ভাইয়ের শাস্তি দাবী করে বলেন, আমি গরীব মানুষ। রিক্সা চালিয়ে পরিবার চালায়। বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে হোটেলে আটকিয়ে সারারাত আমার ভাই আমার স্ত্রীকে ধর্ষন করবে- তা কল্পনাও করতে পারিনি। আমি এর বিচার দাবী করছি।
এ প্রসঙ্গে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মো. আসলাম হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ রকম কোন বিষয়ে কেউ থানায় লিথিক অভিযোগ দেয়নি বলে জানান।
এদিকে হোটেল গার্ডেনের রেজিস্ট্রার বহিতে ধর্ষক-ধর্ষিতার কি পরিচয় লিখা আছে-তা জানতে কোন হোটেলের রেজিস্ট্রার দেখাতে বললে অপারগতা প্রকাশ করেন দায়িত্বরত কর্মকর্তারা।
এ সময় হোটেলের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর (এমডি) দেলোয়ার হোসেন ‘চাইলেই সাংবাদিকদের তথ্য দেয়া যায়না। প্রয়োজনে থানায় গিয়ে তথ্য নেন’ বলে উত্তর দেন।