পরিবারের অভাব-অনটন দুর করতে হলে সকলেই বাড়ির আঙ্গিনায় একটি করে নারিকেল চারা লাগান

.jpg

ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা ওপি জাতের নারিকেল চারা রোপন করছেন হাজি মোহাম্মদ ইলিয়াছ এমপি।

চকরিয়ায় উচ্চ ফলনশীল নারিকেল চারা রোপনকালে এমপি ইলিয়াছ

এম.জিয়াবুল হক, চকরিয়া :
চকরিয়া-পেকুয়া আসনের এমপি হাজি মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেছেন, সদিচ্ছার অভাবে বেশির ভাগ পরিবার সারাবছর অভাব-অনটনে থাকে। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে জীবনধারণ করলে কোন পরিবার অসুখী হতে পারেনা। ইচ্ছা করলে দৈনন্দিন জীবনের সাথে আপনি ঘরে বসেই আয় করতে পারবেন বাড়ির আঙ্গিনায় পড়ে থাকা পতিত জায়গা রকমারি সবজি ও অন্য কোন উচ্চ ফলনশীল ফলের চারা রোপনের মাধ্যমে। তিনি শুক্রবার সকালে চকরিয়া পৌরসভার কাহারিয়াঘোনাস্থ বাসভবনে ভিয়েতনাম থেকে আমদানিকৃত উচ্চ ফলনশীল ওপি (খাটু জাতের) নারিকেল চারা রোপন শেষে সাংবাদিকদের কাছে এসব তথ্য তুলে ধরেন।
এমপি ইলিয়াছ আরো বলেন, ওপি জাতের একটি নারিকেল চারা রোপন করে বছরে একটি পরিবার ঘরে বসেই ১৫ হাজার টাকা আয় করতে পারবে। এ ধরণের আরো অনেক রকমের ফসল আছে যার বাড়িভিটায় রোপনের মাধ্যমে পরিবারের অভাব অনটন দুর করতে পারবে যে কেউ। তিনি পরিবারের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সকলকে বাড়ির আঙ্গিনায় একটি করে নারিকেল চারা রোপনের আহবান জানান।
বাংলাদেশে এই প্রথম ওপি জাতের নারিকেল চারা রোপনকালে এমপি ইলিয়াছের সাথে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা কৃষি বিভাগের উপ-সহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, আজিজনগর হর্টি কালচারের উপ-সহকারী উদ্যাণ কর্মকর্তা মো.সালাহউদ্দিন, এমপি ভাই আবদুশ শুক্কুর ও ব্যক্তিগত সহকারি মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন প্রমুখ।
আজিজনগর হর্টি কালচারের উপ-সহকারি উদ্যান কর্মকর্তা মো.সালাহউদ্দিন বলেন, ভিয়েতনামী ওপি (খাটু জাতের) একটি নারিকেল চারা বছরে তিনবার ফুল দেয়। ফলন দেয় বছরে তিন শতটি। রোপনের আড়াই থেকে তিনবছরের মধ্যে ফলন পাওয়া যায়। গাছে উঠে ফলন কাটতে হয়না। যে কেউ উঁিক মেয়ে হাত দিয়ে ফলন কাটতে পারে। তিনি বলেন, উচ্চ ফলনশীল ওপি জাতের নারিকেল চারটি রোপনের জন্য কক্সবাজার ও পার্বত্য বান্দরবান অঞ্চলের মাটি এবং আবহাওয়া বেশ ভাল উপযুগী। ইতোমধ্যে বান্দরবান জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে বিনামুল্যে এসব চারা বিতরণ করা হয়েছে। তবে যে কেউ ইচ্ছা করলে সরকারি মুল্যে নারিকেল চারাটি রোপনের জন্য কিনতে পারবে। তবে তা হবে মজুদ থাকা পর্যন্ত। #