টেকনাফে বিয়ের প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় কিশোরী অপহরণ, নারী নির্যাতন আইনে থানায় মামলা

Eid-rani-22.jpg

নিজস্ব প্রতিনিধি ।।
টেকনাফে বিয়ের প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় এক কিশোরী অপহরণের শিকার হয়েছে। এব্যাপারে অপহৃতের পিতা বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধারায় অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে মামলা (নং-২) দায়ের করেছে। তবে ঘটনার এগার দিন পেরিয়ে গেলেও অপহৃত কিশোরী উদ্ধার না হওয়ায় মা-বাবা সহ পরিবারে অজানা আশংকা দেখা দিয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ ডিসেম্বর বিকালে পৌরসভার পুরাতন পল্লান পাড়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ নুরুল হকের মেয়ে মাসুমা আক্তার ঈদ রানী (১৭) শপিংয়ে যাওয়ার সময় বাসার সামনে থেকে অপহরণের শিকার হয়। টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মহেষখালীয়া পাড়া এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনের নেতৃত্বে অপহরনকারীরা এসময় তাকে জোরপূর্বক সিএনজিতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে মেয়েকে উদ্ধারের জন্য চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে থানা পুলিশের শরণাপন্ন হন। ঘটনার কয়েকদিন পর অপহৃতের পিতা বাদী হয়ে মোঃ জাহাঙ্গীরকে প্রধান আসামী করে মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। কিন্তু এগারো দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও মেয়েকে উদ্ধার করতে না পেরে মা-বাবাসহ পরিবার মেয়ের জন্য অজানা আতংকায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন।
ঈদ রানীর পিতা জানান, জাহাঙ্গীর নামে বখাটে যুবককে তার মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে মেয়ে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ও অন্যত্র প্রাথমিক কথাবার্তা চলায় তিনি তার প্রস্তাবে রাজী হননি।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সে কয়েকবার মোবাইলে হুমকি দেয় ও একপর্যায়ে তার মেয়েকে অপহরণ করে বলে জানান তিনি।
এব্যাপারে তিনি মেয়েকে উদ্ধারে প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগীতা কামনা করেছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা টেকনাফ থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুর রহিম জানান, অপহৃত ঈদ রানীকে উদ্ধারে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে, ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার অভিযান চালানো হয়েছে। শীঘ্রই তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।