টেকনাফ বাস ষ্টেশন মোড়ের ঝর্ণাটি ব্যানার ও ফেস্টুনে ভরা, পৌর কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছে পৌরবাসী

Teknaf-pic_4.1-Copy.jpg

সাইফুদ্দীন মোহাম্মদ মামুন,টেকনাফ :

পর্যটন শহর টেকনাফের প্রাণকেন্দ্রে পুরাতন বাস স্টেশনে সৌন্দর্য্য বর্ধনের জন্য সড়কের উপর একটি পানির ফোয়ারা স্থাপিত হলেও, এটি সারাবছর ব্যানার ফেস্টুনে ঢাকা থাকে। টেকনাফ পৌরসভা শহরের দৃষ্টিনন্দন এই পানির ফোয়ারায় আবর্জনা পঁচে যাওয়ার ফলে, রীতিমত দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এ ছাড়া ওই ফোয়ারার চথুর্দিকে শুধু ডাস্টবিন, ব্যানার ও ফেস্টুন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এতে দুর্গন্ধের ফলে পথচারী ও পর্যটকরা নাকে রুমাল তার পাশ দিয়ে যাতায়াত করছে। পৌরসভার সৌন্দয্য বর্ধক প্রকল্পের আওতায় বিগত ২০০৯ সালে সড়ক রাউন্ডিংসহ নিজস্ব অর্থায়নে ৫ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে ফোয়ারাটি নির্মাণ করা হয়েছিল। নয়নাভিরাম পানির ফোয়ারাটি নিঃসন্দেহে টেকনাফ শহরের সৌন্দর্য্য বর্ধন করেছে। ফোয়ারার স্থানটি চৌরাস্তায় হওয়ায় প্রায় সময় দুঘর্টনা ঘটত বলেই পৌর কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনারোধ ও সৌন্দর্য্য বর্ধনকল্পে পানির ফোয়ারাটি নির্মাণ করেছিল। পৌরসভা সুত্রে জানা গেছে, পানির ফোয়ারাটি সচল রাখতে বিদ্যুতায়নের জন্য ফোয়ারার নামে বিদ্যুতের মিটার রয়েছে। পাশাপাশি ফোয়ারাটিতে সার্বক্ষণিক পানির ব্যবস্থা করতে পাশে গভীর নলকূপ স্থাপন ও পানি নিস্কাশনে পাতাল ড্রেনও রয়েছে। বর্তমানে ফোয়ারাটিতে ময়লা-আবর্জনা পঁেচ রীতিমত দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। ষ্টেশনের প্রবেশ দ্বারে নির্মিত পানির ফোয়ারা ডাস্টবিনে পরিণত হওয়ায় একদিকে যেমন অসুন্দর, অন্যদিকে পযর্টক ও সর্বসাধারণের চলাচলে সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাছাড়া এখন এই শীত মৌসুমে প্রচুর পর্যটকের আগমনও ঘটছে টেকনাফে। পানির ফোয়ারাটি সংস্কারের মাধ্যমে আলোকসজ্জা করলে পৌর শহরের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন পৌরবাসীরা। অবশেষে পৌর কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছে পৌরবাসী।