আরএসও জঙ্গী রক্ষায় টেকনাফে বিদেশী ফান্ড!

888.jpg

এইচএম এরশাদ ॥
টেকনাফে বিজিবি’র দায়েরকৃত মামলার অভিযোগপত্র থেকে আরএসও জঙ্গীদের রক্ষায় মোটা অঙ্কের ফান্ড এসেছে বলে জানা গেছে। নতুন ভাবে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের সেবা ও ১১ আরএসও জঙ্গীর নাম বাদ দেয়ার তদ্বিরের জন্য মালয়েশিয়া প্রবাসী রোহিঙ্গা নেতা নুরুল ইসলাম হুন্ডির মাধ্যমে এ ফান্ড পাঠিয়েছেন বলে সূত্র জানিয়েছে। টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে.কর্ণেল আবুজার আল জাহিদ বলেন, গত ২০১৬সনের ৩১জুলাই শাপলাপুরে গোপন বৈঠক থেকে আরএসও নেতা হাফেজ ছলাহুল ইসলাম, মৌলভী ছৈয়দ করিম ও ইব্রাহিমকে গ্রেফতার করে থানায় সোপর্দ ও ওরা ১১জনের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়।
সূত্র জানায়, বিজিবির অভিযানে আটক ও পরে জামিনে মুক্ত হয়ে মামলার চার্জশীট থেকে রেহায় পেতে ব্যাপক তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে আরএসও জঙ্গীরা। দেশে ঘাপটি মেরে থাকা ওসব আরএসও জঙ্গী মোটা অঙ্কের ফান্ড নিয়ে জনৈক নেতার হাত ধরে অপরাধ থেকে পার পেতে তদ্বির চালিয়ে যাচ্ছে। টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান এইচকে আনোয়ার বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে গোপনে হাফেজ ছলাহুলের নেতৃত্বে জঙ্গী সংগঠনের কার্য্যক্রম চলছে। বর্মী বাসিন্দা মৌলভী শামসু, আবদুল হামিদ এবং হাফেজ খায়রুল আমিন আরএসও নেতা হাফেজ ছলাহুল ইসলামের বিশ্বস্থ প্রতিনিধি। মৌলভী আজিজ ও রফিক সহ ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় নেতার ছত্রছায়ায় থাকায় আরএসও জঙ্গীদের স্পর্দা বেড়ে গেছে। বাহারছড়ায় গোপন বৈঠককালে যৌথ অভিযানে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মৌলভী ছৈয়দ করিমের (জামিনে মুক্ত) বাড়ি থেকে সৌদি নাগরিক, আরএসওর সাবেক কমান্ডার, জঙ্গী সংগঠন ইত্তেহাদুল জামিয়াতুল ইসলামের সভাপতি হাফেজ ছালাহুল ইসলাম, টাঙ্গাইলের মাওলানা মো: ইব্রাহীম ও মৌলভী ছৈয়দ করিমকে গ্রেফতার করায় অত্যন্ত খুশি স্থানীয়রা। তবে কোন নেতার হস্তক্ষেপে যদি আরএসও জঙ্গীরা সন্ত্রাস দমন আইনে দায়ের হওয়া মামলা থেকে বাদ পড়ে, তাহলে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারার সমান হবে। কেননা তারা (আরএসও) দেশ ও দশের মঙ্গল কামনা করে না। তারা মৌলবাদীগোষ্ঠীর সঙ্গে নাশকতায় লিপ্ত হতে ভাড়ায় যায়।
জানা যায়, হাফেজ ছলাহুল ইসলাম হচ্ছে-আরএসও’র প্রথম সারির নেতা। পলাতক আসামি মাস্টার আইয়ুব ঐ জঙ্গীগোষ্ঠীর অন্যতম প্রাণশক্তি। কথিত মাস্টার রোহিঙ্গা জঙ্গী মো: আয়ুব আতœগোপনে থাকলেও তার সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন এই ছলাহুল। মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে লোকজন এনে গোপন জায়গায় পাঠিয়ে দেয়া, অর্থ তহবিল সংগ্রহ ও যোগান এবং ই-মেইলের মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদানের সব কাজটুকুনই জঙ্গী ছলাহুল করে থাকে বলে জানা গেছে। সূত্র-জনকণ্ঠ