উখিয়ার হরিণমারায় সরকারী বন ভুমিতে চলছে বিল্ডিং নির্মান

.jpg

নিজস্ব প্রতিনিধি, উখিয়া |
কক্সবাজার দক্ষিন বন বিভাগের কর্মকর্তাদের নিস্ক্রিয়তার কারনে সরকারী বন ভুমি জবর দখল হয়ে শূণ্যের কোটায় পৌছতে শুরু করেছে।
জানা গেছে, উখিয়া রেঞ্জের আওতাধীন দোছড়ি বন বিট কর্মকর্তা আমির হোসেন গজনবীর রহস্যজনক ভুমিকায় সরকারী বন ভুমিতে বিল্ডিং নির্মানের কাজ চললেও দক্ষিন বন বিভাগের কর্মকর্তাদের নজরে আসছে না। যার ফলে স্থানীয় গ্রামবাসীদের মাঝে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে রহস্য সৃষ্টি হয়েছ্। কারন বন বিভাগের কর্মকর্তারা সঠিক দায়িত্ব পালন করলে কখনো এ ধরনের বিল্ডিং নির্মানের কাজ করতে পারত না প্রভাবশালীরা।

জনমনে প্রশ্ন জেগেছে, হাকিম আলীর খুটির জোর কোথায়।

যার ফলে সরকারী বন ভুমি জবর দখল হয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। জনশ্রুতি রয়েছে সংশ্লিষ্ট বিট কর্মকর্তা উক্ত বিল্ডিং নির্মানের জন্য ৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। যে কারনে বীরদরপে হাকিম আলী কারো কথায় কর্ণপাত না করে বিল্ডিং নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছে নির্বিঘ্নে।

সূত্রে আরো জানা যায়, দোছড়ি বন বিটের জামায়াত শিবির অধ্যুষিত দক্ষিণ হরিণমারা এলাকার মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে চিহ্নিত ভুমিদস্যু ও জামায়াত শিবিরের লালিত সন্ত্রাসী হাকিম আলী প্রকাশ দস্যু হাকিম স্থানীয় বন বিট কর্মকর্তাকে তার ছেলের প্রবাসী থেকে আসা মোটা অংকের টাকায় ম্যানেজ করে সরকারী বন ভুমিতে উক্ত স্থাপনা নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

সরজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সরকারী বন ভুমির জমিতে বিলাস বহুল বাড়ী নির্মান করছে স্থানীয় হাকিম আলী। যে ভাবে সরকারী বন ভুমিতে বাড়ী নির্মান করা হচ্ছে এ ভাবে চলতে থাকলে বন ভুমির চিহ্ন থাকবে না।

জানা গেছে, দোছড়ি বন বিট কর্মকর্তা কোটবাজারে এন আলম মার্কেটের একটি বিলাস বহুল কক্ষে অবস্থান নিয়ে দোছড়ি বিটের বন ভুমির দেখভাল করছেন। সে উখিয়াতে আসলেও দেখা যায় যারা বন ভুমিতে ঘর বাড়ী নির্মান করছে তাদের নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এ কারনে দোছড়ি বন বিটের আওতাধীন সরকারী বন ভুমির জায়গা শূণ্যের কোটায় চলে আসছে।

দক্ষিন হরিণমারা এলাকার বাড়ী নির্মানকারী হাকিম আলীর নিকট জানতে চাইলে সে জানান, দোছড়ি বিট কর্মকর্তাকে টাকা দিয়ে বন বিভাগের জায়গায় বাড়ী নির্মানের কাজ করে যাচ্ছি এবং আমার বাড়ী নির্মানের সমস্ত দায়িত্ব বিট অফিসারের। তিনি আরো বলেন, আমার মত আরো অনেকেই বিট অফিসারকে টাকা দিয়ে বাড়ী নির্মান করেছে। এরা যদি বিট অফিসারকে টাকা দিয়ে সরকারী বন ভুমিতে বাড়ী নির্মান করতে পারে, আমি কেন পারবনা। এ ব্যাপারে স্থানীয় বিট কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন গজনবী সরকারী বন ভুমিতে বাড়ী নির্মানের সত্যতা স্বীকার করে বলেন সবে মাত্র নির্মিত বাড়ীটি মাটি থেকে ৫ ফুট উপরে উঠেছে বলে তিনি জানান। তবে টাকা নেওয়ার কথাটি অস্বীকার করেন। কিন্তু সে টাকা না নিলে সরকারী বন ভুমিতে বাড়ী নির্মান করা কি ভাবে সম্ভব। প্রশ্ন রইল জনগন ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট।