সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে ইয়াবা ও রোহিঙ্গা

324.jpg

নিজস্ব প্রতিনিধি, উখিয়া |
সীমান্তে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে ব্যাস্ত আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরধারী থাকলেও ইয়াবা পাচারকারীরা সুযোগ বুঝে ইয়াবার চালান নিয়ে আসছে। রাতারাতি কোটি পতি হওয়ার স্বপ্ন দেখে স্কুল, কলেজ পড়–য়া ছাত্ররাও এ ব্যবসায় জড়িত হয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সিন্ডিকেট গঠন করে কতিপয় আইনশৃংলা বাহিনীর সদস্যদের যোগসাজসে পাচার করে দিচ্ছে। বর্তমানে উখিয়ার উপক’লীয় এলাকা ইয়াবার স্বর্গরাজ্যে হিসাবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। বিজিবির চোখ ফাকি দিয়ে কঠোর কড়াকড়ি থাকার পরেও প্রতিদিন মিয়ানমারের রোহিঙ্গারা অবৈধ ভাবে অনুপ্রবেশ করে কুতুপালং রোহিঙ্গা বস্তিতে ঢুকছে। অবৈধ ভাবে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গারা কুতুপালং এলাকায় নতুন করে ৮ শতাধিক ঝুপড়ি ঘর নির্মান করছে স্থানীয় দালাল শাহাজাহান, ছৈয়দ নুর, হামিদুল হক এর মাধ্যমে।
জালিযাপালং ইউনিয়নের ছিদ্দিক সওদাগর জানান, পশ্চিম সোনাইছড়ি এলাকার হাজী ইসলাম মিয়ার ছেলে উপজেলা মৎস্য জীবি বিষয়ক সম্পাদক শামশুল আলম সোহাগ । মনখালী গ্রামের কামাল উদ্দিন, রফিকুল্লাহ, শফিউল্লাহ, জসিম উদ্দিন, ইদ্রিস ও ইমরান এবং উখিয়ার ঘিলাতলী পাড়া এলাকার মুবিন, হিজোলীয়া এলাকার গালু মোক্তার, একই এলাকার ঠান্ডা মিয়ার ছেলে ইয়াবার খুচরা ব্যবসায়ী বাবুল, কোটবাজার থেকে গ্রেপ্তার হওয়া সিএনজি মোক্তার, রুহুল্লার ঢেবা এলাকার জাহাঙ্গীর, খয়রাতি পাড়া এলাকার আতাউল্লাহ, মীর আহম্মদ সহ অর্ধশতাধিক ইয়াবা ব্যবসায়ী প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এ ব্যবসা চালিয়ে গেলেও তারা এখন ধরা ছোয়ার বাইরে। কুতুপালং গ্রামের নুরুল হক মাঝি জানান, সীমান্তে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে আইনশৃংখলা বাহিনী ব্যস্ত থাকার সুযোগে মিয়ানমার থেকে ঢালাউ ভাবে আসছে মরণ নেশা ইয়াবা। যার ফলে স্কুল কলেজ পড়–য়া ছাত্ররা এ কাজে ব্যস্ত হওয়ায় তাদের বভিষ্যৎ অন্ধকার। উখিয়া থানার ওসি মোঃ আবুল খায়ের জানান, ইয়াবা ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।