টেকনাফে ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় পলাতক আসামী শীর্ষক সংবাদে বিস্ময় : নিরপেক্ষ তদন্তে প্রকৃত ইয়াবার মালিককে খুঁজে বের করার দাবী

protibad2.jpg

গত ২৫ ডিসেম্বর কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন দৈনিক ও অনলাইন নিউজে প্রকাশিত টেকনাফে বিজিবি কর্তৃক ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় দুই জনকে পলাতক আসামী শীর্ষক সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদে জানতে পারলাম গত ২৪ ডিসেম্বর সকালে নতুন জেটি এলাকা থেকে দুই কিশোরকে ১১ হাজার ৮শ ২৭ পিচ ইয়াবাসহ আটক করেন টেকনাফ বিওপির জওয়ানরা। উক্ত ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় আমাদের পলাতক আসামী করায় আমরা হতভম্ব ও বিস্মিত হয়েছি। কেননা উক্ত ইয়াবা পাচারের ঘটনাসহ কোন ধরনের ইয়াবা ব্যবসা ও পাচারের সাথে আমরা কখনো জড়িত ছিলাম না, বর্তমানেও নেই। ভবিষ্যতেও ইয়াবার মতো ঘৃন্য পেশায় জড়িত হওয়ার আমাদের পক্ষে কোন ইচ্ছে নেই। আমরা দুইজনেই কসমেটিসক ও ইলেকট্রনিক্স ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করিয়া আসিতেছি। ইয়াবা পাচারের উক্ত ঘটনায় ধৃত দুই কিশোরের সাথে আমাদের কোন ধরনের ব্যবসায়ীক অথবা সামাজিক কোন সম্পর্ক নেই। তারপরও উক্ত ইয়াবা মামলায় আমাদেরকে পলাতক আসামী করায় আমরা অত্যন্ত মর্মাহত ও হতাশ হয়েছি।
অতএব, আমরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও তদন্ত কর্মকর্তার প্রতি জোর দাবী জানাচ্ছি যে, ধৃত দুই কিশোরকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হউক। খুঁেজ বের করা হউক ইয়াবার আসল মালিক কে।
আর জিজ্ঞাসাবাদ ও নিরপেক্ষ তদন্তে বেরিয়ে আসবে উক্ত ইয়াবার চালানের সাথে আমরা কোনভাবেই জড়িত নই। কাজেই আমরা নিরপেক্ষ তদন্তে উক্ত ইয়াবার চালানের আসল মালিককে খুঁজে বের করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জোর দাবী জানাচ্ছি।

মোস্তাক আহমদ মসু ও মোঃ হোসন খোকন।
উত্তর জালিয়াপাড়া, পৌরসভা, টেকনাফ।