টেকনাফ সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করছে কুতুবদিয়া জাহাজ : প্রতারনা শিকার পর্যটকেরা

jjj-Copy.jpg

মোহাম্মদ আশেকুল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ ::
পর্যটন মওসূমে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে দ্বিগুন যাত্রীবহন করছে পর্যটকবাহী কুতুবদিয়া নামের জাহাজটি। টেকনাফ সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে যে ক’টি জাহাজ চলাচল করছে, তার মধ্যে কুতুবদিয়অ জাহাজের বিরুদ্ধে যাত্রীদের অভিযোগ সবার শীর্ষে। গত ২৪ ডিসেম্বর (শনিবার) সকাল ৯টায় এ প্রতিবেদক দমদমিয়া জাহাজ ঘাটে গেলে কুতুবদিয়া জাহাজে সিট বুকিং নিয়ে যেতে না পারা প্রায় অর্ধশতাধীক নামীধামী যাত্রীরা এসব অভিযোগ সংবাদকর্মীদের কাছে তুলে ধরেন। সরেজমিন পরিদর্শন করে জানা যায়, কুতুবদিয়া জাহাজের নীচে ও ছাদে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী এমন ভাবে বহন করছে, যাহা তীলপরিমাণ স্থান নেই। অতিরিক্ত যাত্রী বহন এবং সীট না পেয়ে প্রায় ৫০ জন যাত্রী জাহাজ থেকে নেমে পড়ে। অপর দিকে কক্সবাজার থেকে গত ১ মাস আগে সিট বুকিং নেয়া প্রায় অর্ধশতাধিক যাত্রী জাহাজে উঠতে পারেনী। এদের মধ্যে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি ডাইরেক্টার সিরাজুল ইসলাম অন্যতম। তার সফর সংগী স্ত্র¿ী পুত্রসহ ১১জন যাত্রী ছিল। এছাড়া অন্যান্য পর্যটকদের মধ্যে এমতিয়াজের ১৭ জন, তাওহীদ জামিলের ১৭ জন, ফরিদখানের ৯ জন, আরাফাতের ৮ জন, রাসেন্দ্রুর ৬জন ও বাঁশখালীর বার আওলিয়া ফাউন্ডেশানের ৪৮ জন। যেতে না পারা এসব জনগুরুত্বপূর্ণ যাত্রীরা কুতুবদিয়া ঘাটে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের কাছে জাহাজ যাত্রীবহন এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের কথা তুলে ধরে বলেন, এখানে কি প্রশাসন নেই। শুধুমাত্র কয়েকজন ট্রাইপিক পুলিশ ছাড়া অন্য কোন কর্মকর্তাকে দেখা যায়নি। তারা শুধু নীরব দর্শন ভূমিকা পালন করছে মাত্র। অবশ্যই জাহাজ ঘাটে দায়িত্বে নিয়োজিত আইন শৃখলা বাহিনীর লোকজনকে দেখা যায়নি। পরে জাহাজ ছাড়ার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের জন্য উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার এবং কোস্টগার্ডের একজন সিভিল পোশাকধারী কর্মর্তাকে দেখা মিলেছে। যেতে না পারা যাত্রীদের টাকা ফেরৎ দিলেও দৃশ্যমান কোন শাস্তির ব্যবস্থ্য করা হয়নি। কুতুবদিয়া জাহাজের ইনচার্জ মো” আজিজের সাথে মোবাইল ফোনে অতিরিক্ত যাত্রী বহন সংক্রাক্ত বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এর সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননী। এ প্রসংগে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শফিউল আলম বলেন, অতিরিক্ত যাত্রীবহনের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।