উখিয়া-টেকনাফের দুই শরণার্থী শিবিরে কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে বিরাজ করছে চরম অসন্তোষ

pic-30_153221.jpg

কায়সার হামিদ মানিক, উখিয়া |
উখিয়া-টেকনাফে অবস্তিত দুই রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের প্রায় অর্ধলক্ষাধিক রেজিষ্ট্রাট রোহিঙ্গাদের মাঝে কর্মরত কর্মচরীদের মাঝে দীর্ঘ দিন ধরে বিরাজ করছে ব্যাপক অসন্তোষ। উক্ত শরণার্থী ক্যাম্পে কর্মরত কর্মচারীদের নানা অভাব অভিযোগের ভিত্তিতে শরণার্থী ক্যাম্পের প্রশাসনিক কর্মকান্ড অচল অবস্থার পাশাপাশি নানা উদ্ধেগ উৎকন্ঠা দেখা দিয়েছে। আর এতে ক্যাম্পের চেইন অফ কমান্ড চরম বিপর্যয়ের মূখে পড়বে বলে স্থানীয় সচেতন মহল জানান। জানা গেছে, শরণার্থী ত্রান ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কক্সবাজারের অধীনে দুই শরণার্থী শিবিরে প্রায় ১৬০ জন কর্মকর্তা কর্মচারী বর্তমানে কর্মরত রয়েছে। তারা ক্যাম্পে কর্মরত থাকলেও স্বল্প বেতনে তারা তাদের পরিবার পরিজনের বরণ পোষন চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০১৫ সালে সরকারী বেসরকারী কর্মকর্তাদের ১০০% বেতন ভাতা বৃদ্ধির ঘোষনা দেন। উক্ত বেতন ভাতা বৃদ্ধির ঘোষনার পর থেকে সমস্ত প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে আনন্দের জোয়ার বয়ে আসে এবং ঘোষিত প্রস্তাব বাস্তবে রূপনেয়। কিন্তু শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কক্সবাজারের অধীনে কর্মরত কর্মচারীদের ১০০% বেতন ভাতা বৃদ্ধি না করে রহস্যজনক ভাবে ৩০% বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সরকার কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন ভাতা শতভাগ করার পর থেকে দ্রব্যমূল্য উল্লেখ যোগ্য হারে বেড়েছে। তাই ক্যাম্পে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাদের বেতন ভাতা ৩০% থেকে শতভাগ বাস্তবায়ন করার জন্য আওয়ামীলীগের সভানেত্রী ও বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শরণার্থী ত্রান ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কক্সবাজারের প্রতি অনুরোধ রইল। এ ব্যাপারে শরণার্থী ত্রান ও প্রত্যাবাসন কমিশনর কক্সবাজারের কাছ থেকে মুঠফোনে বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করেও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।