ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন

6666.jpg

নিজস্ব প্রতিনিধি, উখিয়া |
ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদিকে নিয়ে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত শরণার্থী শিবিরের বিভিন্ন ব্লক পরিদর্শন করে রোহিঙ্গাদের সথে কথা বলেন তারা। বাংলাদেশে সফররত ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলীকে বহনকারী হেলিকপ্টার বেলা ১১টার দিকে উখিয়ার হিলিপেটে একটি হেলিকপ্টার যোগে পৌছেন। ওই খান থেকে উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী শিবিরের মিলনায়তনে ঘন্টা ব্যাপি আলাপ আলোচনা করেন, নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের নিয়ে।
এ সময় গুলি বৃদ্ধ রোহিঙ্গা মিয়ানমারের মংডু জেলার খিয়ারী পাড়া গ্রামের হাফিজুল ইসলামের ছেলে আজিজুল মোস্তফা (২৫) ও ইনচং পাড়া গ্রামের লিয়াকত আলীর ছেলে ইলিয়াছ (২২) ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মিয়ানমারে খুন, নির্যাতন, ধর্ষণ, গণ গ্রেপ্তার, বাড়ী ঘরে আগুন দেওয়ার কথা তোলে ধরেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক, উখিয়া টেকনাফের সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদি, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন, জেলা পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার নাথ, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাঈন উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, উখিয়া থানার ওসি মোঃ আবুল খায়ের সহ সরকারী বেসরকারী ও এনজিও প্রতিনিধিরা। দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তারা রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতনের ও অত্যাচারের কথা শুনেন।
উল্লেখ্য, গত ৯ অক্টোবর মিয়ানমার সীমান্ত চৌকিতে আক্রমনে কয়েকজন পুলিশ নিহত হন। এর পর মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনী নিরহ রোহিঙ্গাদের উপর আক্রমন শুরু করে। এ পর্যন্ত শতাধিক রোহিঙ্গা নিহত ও ৩০ হাজারেরও অধিক রোহিঙ্গা বাড়ী হারা হয়েছেন। এ ছাড়াও নিজেদের জীবন বাঁচাতে ২১ হাজারেরও অধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্তের পয়েন্ট দিয়ে ঢুকে পড়েছেন রোহিঙ্গা বস্তিতে।