উখিয়ায় সরকারী বন ভুমির পাহাড় কেটে বাঁধ নির্মান

789-2.jpg

নিজস্ব প্রতিনিধি, উখিয়া |
উখিয়ার দক্ষিন হরিণমারা দোছড়ি বন বিটের আওতাধীন এলাকার সরকারী বন ভুমির পাহাড় কেটে বাধ নির্মান করছে বলে স্থানীয় গ্রাম বাসিদের অভিযোগ। জানা গেছে, দক্ষিণ হরিণমারা গ্রামের হোছন আলীর ছেলে মোঃ শাহ আলম ও ছৈয়দ নুরের ছেলে আবুল কালামের নেতৃত্বে বন ভুমির পাহাড় কেটে স্থানীয় বন বিট কর্মকর্তাকে মোটা অংকের টাকায় ম্যানেজ করে খালের উপর বাধ নির্মান করে যাচ্ছে। সরকারী নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও পাহাড় কাটা থামছেনা।
সরজমিন ঘুরে দেখা যায়, সরকারী বন ভুমির পাহাড় কেটে হরিণমারা খালের উপর উখিয়া সদর বন বিটের হেডম্যান ইব্রাহিমের চট্রমেট্রো ড- ১১০ নাম্বারের ডাম্পার গাড়ী দিয়ে বাধেঁর উপর মাটি ফেলছে। এ ভাবে সরকারী দায়িত্বশীল একজন লোকের গাড়ী দিয়ে বাধ নির্মান করায় সচেতন মহলের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। জানা গেছে, ওই মাটির সিন্ডিকেট ২০/২৫ টি স্পট থেকে সরকারী বন ভুমির পাহাড় কেটে মাটি বানিজ্য করে আসলেও দেখার কেউ নেই। যে ভাবে পাহাড় কাটা হচ্ছে এ ভাবে বলবৎ থাকলে বর্ষা মৌষমে পাহাড় ধষে প্রান হানি হওয়ার আশংক্যা রয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, বিট কর্মকর্তা আমির হোসেন গজনবী প্রত্যকটি পাহাড় কাটা ও সরকারী বন ভুমির জায়গা বিক্রি করে ঘর নির্মান করার সুযোগ দিচ্ছে মোটা অংকের টাকা নিয়ে। বর্তমানে দোছড়ি বন বিটে এক ইঞ্চি জায়গায় ও বন বিভাগের অধীনে নেই। সব জায়গা বেদখল হয়ে গেছে। তবে বিট কর্মকর্তা আমির হোসেন গজনবী তার বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ অস্বীকার করেন। মাটি বানিজ্যকারী মোঃ শাহ আলম ও আবুল কালাম বলেন সরকারী অনুমোদন নিয়ে পাহাড় কেটে বাধটি নির্মান করে যাচ্ছি। তবে সরকারী পাহাড় কাটার অনুমোদন আছে কি না জানতে চাইলে, তারা এ চিত্র সংবাদ পত্রে না ছাপানোর জন্য অনুরোধ করেন। উখিয়ার রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সরজমিন তদন্ত করে পাহাড় কর্তনকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।