মহান বিজয় দিবসে পর্যটকের পদভারে মূখরিত টেকনাফ সৈকত

876543-2.jpg

সাইফুল ইসলাম ও মো: ইসলাম, টেকনাফ::
মহান বিজয় দিবসের শেষ বিকেলের লাল সূর্যের সূর্যাস্ত ও সৈকতের নৈসর্গিক রূপ-প্রকৃতি অবলোকন করতে হাজারো পর্যটকদের পদভারে মূখরিত হয়েছে টেকনাফ সমুদ্র সৈকত। ১৬ ডিসেম্বর শুক্রবার বাংলাদেশের অন্যতম দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে এসে দেখা যায়, স্হানীয়,দেশী ও বিদেশী পর্যটকদের ব্যাপক সমাগম ঘটেছে দিনটিকে ঘিরে। যা অন্যান্য দিনের তুলনায় অনেক গুণ বেশি। এমনিতে বিশেষ বিশেষ দিনে টেকনাফ সমুদ্র সৈকতটিতে পর্যটকের উপস্হিতি বেড়ে যায়। সৈকতের সৌন্দর্য ভ্রমনপিপাসু মানুষকে হাতছানি দিয়ে প্রতিনিয়ত কাছে টানে। বিশাল বিস্তৃত সৈকতটি এখনো টেকনাফ উপজেলার অন্যতম পর্যটন স্পট হিসেবে পরিগনিত হয়। তবে সৈকতে ঘুরতে আসা অনেক পর্যটক হতাশা ব্যক্ত করেছেন। কারণ সৈকতে এখনো গড়ে উঠেনি সৈকত কেন্দ্রীক কোন ধরনের ব্যবস্হাপনা কমিটি। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে গড়ে উঠেনি কোন ধরনের পর্যটন বান্ধব পরিবেশ ও স্হাপনা। তবে স্বপ্নের মেরিন ড্রাইভের কাজ দ্রুত সম্পন্ন হওয়ার পথে। যেটির কাজ শেষ হলে সৈকতের সৌন্দর্য ও পর্যটকের আনাঘোনা আরো বাড়বে বলে সৈকতে আসা অনেক পর্যটকের মতে। সৈকতে বাচ্চাকে বেড়াতে আসা মহিলা পর্যটক ইয়াসমিন আক্তার ক্ষোভের সহিত বলেন,এখানে কি করে পর্যটকরা ঘুরতে আসবে? যেভাবে কিছু কিছু যুবক মোটর সাইকেল নিয়ে নিবিঘ্নে দুরন্ত গতিতে ছুটাছুটি করছে কখন যে বড় রকমের বিপদ যে আসবেনা তা কেউ বলতে পারে না। আর রয়েছে বখাটেদের উৎপাত। এতকিছুর পরও তিনি আশাবাদী,যদি যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সৈকত কেন্দ্রিক একটি সুন্দর ব্যবস্হাপনা কমিটি করার পাশাপাশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিনোদনবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করা হয় তবে টেকনাফ সমুদ্র সৈকতটির প্রতি পর্যটকদের আকর্ষণ আরো অনেক গুণ বেড়ে যাবে। সৈকতে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা উন্নয়ন কর্মী খোরশেদ আলম বলেন,গত ঈদে যখন পরিবার- পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসি তখন টুরিষ্ট পুলিশসহ অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সরব উপস্হিতি ছিল। তবে আজকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর টহল না থাকায় সৈকতের পরিবেশের ভালো ছিলনা। তিনি আরো বলেন,যদি বিশেষ দিনগুলোতে সৈকতে টুরিষ্ট পুলিশ ও অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে পর্যটকদের নিরাপত্তার ব্যবস্হা নেয়া হয় তবে পর্যটকের সমাগম বাড়ার সাথে সাথে সৈকতের সৌন্দর্য ও পরিবেশ আরো ভালো হবে।