টেকনাফে রোহিঙ্গাদের মাঝে প্রকাশ্যে অর্থ বিতরণ : অনুপ্রবেশে উৎসাহিত করছে ওপারের লোকজনকে

15492333_1884751128420201_2028909120541959164_n.jpg

সাদ্দাম হোসাইন, হ্নীলা ॥
টেকনাফের বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ্যে অর্থ বিতরণের ঘটনা মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের এদেশে অনুপ্রবেশে উৎসাহিত করায় এখনো রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশরোধ করা যাচ্ছেনা বলে বিভিন্ন সুত্র থেকে অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়-বৃহস্পতিবার (১৫ডিসেম্বর) সকাল ৯টারদিকে উপজেলার হ্নীলা পূর্ব ফুলের ডেইলের একটি সড়ক দিয়ে দলে দলে কতিপয় দালালের সহায়তায় অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গারা গন্তব্যে ছুটছে। এসময় স্থানীয় সংবাদকর্মীদের ক্যামেরাবন্দি হয় রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ও শিশুরা। রোহিঙ্গারা রাতে অনুপ্রবেশ করে স্থানীয় দালালের বাড়িতে অবস্থান করে সকালে চলে যাচ্ছে বলে জানায়।

এই ব্যাপারে হ্নীলা বিওপির কোম্পানী কমান্ডার নজরুল ইসলামের নিকট জানতে চাইলে এই পয়েন্টে রোহিঙ্গা পারাপারের কোন দালাল আছে কিনা তাঁর জানা নেই। তবে এই জাতীয় ঘটনা ঘটে থাকলে খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান।
এদিকে হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমোরা,নয়াপাড়া,মোছনী,লেদা, লেদা টাল, আলীখালী, রঙ্গিখালী, নাটমোরাপাড়া, উলুচামরী,লেচুয়াপ্রাং,পূর্ব ও পশ্চিম সিকদার পাড়া, পানখালী,হ্নীলা ষ্টেশনসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও আলেমদের সহায়তায় কথিত দানবীরেরা নগদ আর্থিক সহায়তা দিয়ে পথে-ঘাটে রোহিঙ্গাদের হাট বসিয়েছে।
এখবর মিয়ানমারে ছড়িয়ে পড়ায় হাজার হাজার রোহিঙ্গা নারী,শিশু-কিশোরেরা বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে অনুপ্রবেশ করছে।
এসব পয়েন্ট সমুহে সুযোগ সন্ধানী দালালেরা মোটাংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে পকেটভারী করে চলছে বলে বিভিন্ন সুত্র থেকে অভিযোগ উঠছে।
এদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গারা পেটের দায়ে ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িয়ে গ্রামে-গঞ্জে চষে বেড়াচ্ছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সঞ্চার হচ্ছে। এই ব্যাপারে স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সমুহের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করেন।