উখিয়ার পালংখালীতে ব্যাপক গুলিবর্ষণ, আহত ২০, অস্ত্র উদ্ধার

Atonko_tt-pic_5.jpg

উখিয়া :
উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের আঞ্জুমান পাড়ায় ওয়াকপ ষ্টেইটের ১ হাজার একর জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গুলি বর্ষণ ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ২০ জন গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের আশংক্যাজনক অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ও বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সন্ধা সাড়ে ৫ টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ বিজিবি অভিযান চালিয়ে ৩ টি দেশীয় তৈরি অবৈধ অস্ত্র ও ধারালো বিভিন্ন প্রকারের অস্ত্র সহ ১০ জনকে আটক করেছে রাত ৯ টার দিকে। আহতদের মধ্যে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, বটতলী গ্রামের মোঃ ইসলাম (২০), মোঃ আবুল বশর (৩০), ওমর ফারুক (১৮) ও ফাহিম উদ্দিন (২২)। আহতদের মধ্যে ৪ জনের নাম জানা গেলেও অন্যান্যদের নাম পাওয়া যায়নি। আটককৃতরা হলেন, পূর্ব ফারিরবিল গ্রামের মৃত সোলতান আহম্মদের ছেলে রমিজ আহম্মদ, নলবনিয়া গ্রামের মৃত আমিরুজমানের ছেলে কাউছার, পালংখালী এলাকার মৃত আবুল মঞ্জুরের ছেলে শফিক, মৃত আবুল শমার ছেলে শামশুল আলম, আঞ্জুমান পাড়া গ্রামের নুর হোসনের ছেলে আবুল বশর, নলবনিয়া গ্রামের জাহেদ আলমের ছেলে জসিম, আঞ্জুমান পাড়া গ্রামের আবু বক্কর ছিদ্দিকের ছেলে আকতার, আঞ্জুমান পাড়া গ্রামের কলিমুল্লার ছেলে শফিক, আঞ্জুমান পাড়া গ্রামের কলিমুল্লার ছেলে সাদ্দাম ও পূর্ব ফারিরবিল গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে জাহেদ হোসেন। পুলিশ প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, পালংখালী ইউনিয়নের আঞ্জুমান পাড়া এলাকায় ১ হাজার একর চিংড়ী চাষ যোগ্য ওয়াকপ ষ্টেইটের জমি নিয়ে সোহেল মোস্তফা চৌধুরী ও লতিফ আনোয়ার চৌধুরীর মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। গতকাল সোমবার সন্ধায় সোহেল মোস্তফা চৌধুরী শসস্ত্র অস্ত্রধারীদের নিয়ে ঘন্টা ব্যাপি ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে ওয়াকপ ষ্টেইটের অফিস দখল করতে গেলে, অপর দিকে প্রতিপক্ষ লতিফ আনোয়ার চৌধুরীর বাধা দিলে তাদেরকে অস্ত্রের মূখে জিম্মি করে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রায় ২০ জন মত গুরুতর আহত হয়েছে। খবর পেয়ে উখিয়া থানার ওসি মোঃ আবুল খায়ের ও ওসি (তদন্ত) মোঃ কায়কিসলুর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ও পালংখালীর বিওপির ৩৪ বিজিবির সদস্যরা রাতে এলাকায় তল্লাসি চালিয়ে ৩ টি দেশিয় তৈরি অস্ত্র, ১২ রাউন্ড তাজা গুলি, ৪ রাউন্ড গুলির কোষা ধারালো অস্ত্রশস্ত্র সহ ১০ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে বলে উখিয়া থানার ওসি মোঃ আবুল খায়ের জানিয়েছেন। বর্তমানে ওই এলাকায় পুলিশ ও বিজিবি সদস্যদের মোতায়ন করা হয়েছে।