ইয়াবা সহ চট্রগ্রামে আটক হওয়া সেফায়েত হোয়াইক্যংয়ের ইয়াবা পাচারে অন্যতম সদস্য

yyy.jpg

নিজস্ব প্রতিনিধি, টেকনাফ ।
চট্রগ্রামে সমপ্রতি ইয়াবা সহ আটক হওয়া সেফায়েত আহমদ হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ইয়াবা পাচারে সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য হিসাবে এলাকায় পরিচিত, সেই দীর্ঘদিন যাবত মরণ নেশা ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত বলে জানা যায়।উক্ত সেফায়েত আহমদ হোয়াইক্যংয়ে ১ নং ওর্য়াডের খাটাখালী গ্রামের সাবেক মেম্বার কাদের হোসাইনের পুত্র। সে ঘিলাতলী গ্রামের নাজু চৌধুরী সিন্ডিকেটের আরেক অন্যতম সদস্য ও নাজু চৌধুরী বিগত কিছুদিন আগে উখিয়া থানা পুলিশের হাতে প্রাইভেট কার সহ স্বস্ত্রীর আটক হন। বর্তমানে নাজু চৌধুরী ইয়াবা মামলায় কারাগারে রয়েছে। সেফায়েত আহমদ নাজু চৌধুরী ভাগিনা। মরণ নেশা ইয়াবা ব্যবসায় করে এই সিন্ডিকেট গড়ে তোলেছে টাকা পাহাড় ও বাড়ি,সরকারী দলের নাম ব্যবহার করে তারা র্দীঘদিন যাবত দেশের বিভিন্ন স্থানে ইয়াবার চালাল কৌশলে পাচার করে যাচ্ছে। বেশ কয়েক বার উক্ত সিন্ডিকেটের সদস্যরা ইয়াবা সহ আটক হলে টাকা ও ক্ষমতার জোরে ছাড়া পাই বলে জানা যায়, এলাকাতে তারা ইয়াবা ব্যবসার টাকায় ও দলের নাম সহ সিনিয়র নেতাদের নাম ব্যবহার করে আদিপাত্য বিস্তার সহ নানা অপরাধ সৃষ্টি করে যাচ্ছে।
একটি সূত্রে তথ্য পাওয়া যায় যে, মায়ানমার ও টেকনাফে তাদের একটি বড় ইয়াবার সিন্ডিকেট রয়েছে এবং ইয়াবা আনার সময় অবৈধ অস্ত্রসস্ত্র সজ্জিত থেকে ইয়াবা চালান আনে।উখিয়া থানায় স্বস্ত্রী নাজু চৌধুরী আটক হওয়ার পরে কাদের হোছনের পুত্র সেফায়েত আহমদ চট্রগ্রাম আকবরশাহ থানায় পুলিশের হাতে ইয়াবা সহ আটক হয়।
পুলিশের হাতে আটক হওয়া কাদের হোসনের পুত্র সেফায়েত আহমদ হোয়াইক্যংয়ে খাটাখালী ও ঘিলাতলী গ্রামে ইয়াবা ব্যবসা ব্যাপক হারে প্রসার ঘটায়। দিন দিন এসব এলাকাতে ইয়াবা ব্যবসার প্রসার বেড়ে চলতেছে বাড়তেছে খুচরা ব্যবসায়ীও সংখ্যা এবং ইয়াবা খেয়ে আসক্ত হচ্ছে অনেকেই।
এলাকাবাসী সাথে আলাপকালে তারা জানান, গ্রামে কিছু ইয়াবা পাচারকারীদের কারণে দিন দিন ইয়াবা ব্যবসা বেড়ে চলেছে এবং ইয়াবা খেয়ে আসক্ত হচ্ছে অনেকেই । এই ইয়াবা খাওয়া নিয়ে মানুষের পারিবারিক সম্যসা সৃষ্টি হচ্ছে যুব সমাজ অপরাধের দিকে হাত বাড়াচ্ছে এসব মাদকের বয়াল থেকে রক্ষা করার জন্য আইনশৃংখলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এবং চিহ্নিত অপরাধীদের আইনের আওয়তায় আনার আহবান জানান।