টেকনাফ উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসের কর্মচারীর বিরুদ্ধে টাকা আদায় ও যৌন হয়রানীর অভিযোগ

66.jpg

সাইফুদ্দীন মোহাম্মদ মামুন, টেকনাফ :
টেকনাফ উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসে দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী কর্মকর্তা না থাকার সুবাদে ক্যাশিয়ার রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে অফিস টাইমে অফিসের কাজ ফেলে রেখে কম্পিউটার, প্রিন্টার ব্যবহার করে মানুষের কাজ নিয়ে ব্যস্থ থাকার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এগুলো ছাড়াও তার বিরুদ্ধে অফিসে দরখাস্ত লিখতে আসা অনেক গরীব ও নিরীহ মেয়েদের সাথে টাকার লোভ দেখিয়ে দহরম-মহরম যৌন সম্পর্ক থাকার অহরহ অভিযোগ নাম না জানা শর্তে অনেকে জানায়।এর ফলে সে একদিকে যেমন অফিসের কাজকে ফাকি দিচ্ছে ঠিক অন্যদিকে জোরপুর্বক অফিসে কর্মরত অন্যদেরকে পাত্তা না দিয়ে সরকারী জিনিসপত্র ব্যবহার করে আয়ের মাধ্যমে অনেক টাকার মালিক হয়েছে বলেও অনেকের কাছ থেকে জানা গেছে। সবচেয়ে বড় কথা হল, সে দরখাস্ত লিখতে আসা অনেক মেয়েকে টাকার লোভ দেখিয়ে কোনমতে নাম্বারটি সংগ্রহ করে তাদের সাথে প্রতারণা করেছে যে এইরকম একজন মেয়ে(সমস্যার কারণে নামটা গোপন করা হল) তাকে বিগত কয়েকমাস আগে তার অফিসের সামনে এসে শার্টের কলার চেপে ধরে বলে অনেকে জানায়। এইরকম ঘটনা সে শুধু এটাই নয় পুর্বে অনেক ঘটিয়েছে বলেও স্থানীয়রা জানায়। অন্যদিকে সে ৮/৯ বছর যাবৎ একটানা কিভাবে টেকনাফে কর্মরত থাকে এ নিয়েও জনমনে প্রশ্ন চলছে। তাছাড়া তার কু-কর্ম ও অফিস ফাকি দেওয়ার ঘটনার ব্যাপারে অনেকবার নিউজ প্রকাশিত হলেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছেনা। এ ব্যাপারে উপজেলায় কর্মরত অনেকে প্রশাসনের কাছে তার উচিৎ শাস্তী দাবী করেছেন।