কক্সবাজারের উন্নয়নে আমার দৃঢ় মনোবল রয়েছে

.jpg

বৃহত্তর ঈদগাঁওবাসীর সভায় কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান

কক্সবাজারের উন্নয়নে আমার দৃঢ় মনোবল রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আমাকে খুব আপন ভেবে কক্সবাজারের দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি ঈদগাঁঁও এলাকার সন্তান বলে কথা নয়, আমার কাছে সবাই সমান। দূর্নীতি-স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে থেকে কক্সবাজারকে সাজাতে চাই। এ জন্য দলমত নির্বিশেষে সবার সহযোগিতা দরকার।
কক্সবাজার শহরে অবস্থানরত বৃহত্তর ঈদগাঁওবাসীর (ঈদগাঁও, ইসলামাবাদ, জালালাবাদ, ইসলামপুর,পোকখালী, চৌফলদ-ি) সাথে মতবিনিময় সভায় কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে. কর্ণেল (অব.) ফোরকান আহমদ এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়েছি ৩ মাস হয়েছে। এখনো কোন সরকারী বরাদ্দ পাইনি। এরপর কার্যক্রম থেমে নেই। সততা ও দায়িত্বানুভূতি থাকলে সব করা সম্ভব।
শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) বিকালে কক্সবাজার পৌর প্রিপ্যারেটরী উচ্চবিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘বৃহত্তর ঈদগাঁও সোসাইটি’ গঠনকল্পে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
মূলতঃ কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাওয়ার পর এই প্রথম নিজ এলাকার মানুষের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলেছেন কর্ণেল ফোরকান আহমদ।
সভায় প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেছেন, কক্সবাজার উন্নয়নের অন্তরায় কক্সবাজারের মানুষই। কাজের আগে স্বার্থ চিন্তা ভাল নয়। স্বার্থের জন্য অনেকে বেঈমানী করে। উন্নয়নের জন্য স্বার্থ বিসর্জন দিতে হবে। নিজের চাইতে দেশকে বেশী ভালবাসতে হবে।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর জাফর আহমদের সভাপতিত্বে সভায় কউক চেয়ারম্যান বলেন, বৃহত্তর ঈদগাঁওতে সব কিছু আছে, শুধু ঐক্য নেই। দলমত মাথায় না রেখে সবাই একই প্লাটফর্মে আসতে পারলে এলাকার অনেক উন্নয়ন হবে। ঈদগাঁওকে আলাদা উপজেলায় রূপান্তরের কাজ এনেক দূর এগিয়ে গিয়েছিল। স্বার্থবাজদের কারণে তা থেমে আছে।
তার মতে, আমাদের সমাজে ভাঙার লোক বেশী, গড়ার লোক কম। এ কারণে অপপ্রচারে কান দেয়া যাবেনা। অভিষ্ট লক্ষে পৌঁছতে কান কথা না শুনে সামনে এগুতে হবে।
অধ্যাপক সাইফুল ইসলামের পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) এর জেলা সাধারণ সম্পাদক ডা. সাইফুদ্দিন ফরাজি, ইঞ্জিনিয়ার বদিউল আলম, কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এডভোকেট ছলিম উল্লাহ বাহাদুর, জেলা সমবায় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু তাহের চৌধুরী, কৃষিবিদ আবুল কালাম, কামাল উদ্দিন রহমান পেয়ারু, অধ্যাপক মাওলানা রহমত ছালাম, ইঞ্জিনিয়ার ছৈয়দ নূর ফরাজি, জালালাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান ইমরুল হাসান রাশেদ, মনজুর আলম, সমাজসেবক নুরুল হক নূর, নুরুল আলম ফরাজি, শহীদুল হক প্রমুখ। সভায় বৃহত্তর ঈদগাঁওর বিভিন্ন এলাকার বরেণ্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভাশেষে প্রফেসর জাফর আহমদকে আহবায়ক করে ১৭ সদস্য বিশিষ্ট ‘বৃহত্তর ঈদগাঁও সোসাইটি’ গঠিত হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন- কৃষিবিদ আবুল কালাম, ইঞ্জিনিয়ার ছৈয়দ নূর ফরাজি, এডভোকেট ছলিম উল্লাহ বাহাদুর, অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম, মাস্টার আবদুল কাদের, এডভোকেট সরওয়ার কামাল, অধ্যাপক মাওলানা রহমত ছালাম, এডভোকেট মোস্তফা কামাল, কাইছার ইদ্রিস, শহীদুল হক, মু. তৈয়ব, মনজুর আলম, মু. জহিরুল ইসলাম, ইমাম খাইর, সরওয়ার রোমন ও বেলাল আহমদ।