হ্নীলা আল জামেয়ার জমি দখলে নিতে কুচক্রী মহল মরিয়া

3.jpg

জসিম উদ্দিন টিপু, টেকনাফ::
টেকনাফ হ্নীলার বড় মাদরাসা খ্যাত আল জামেয়া দারুস সুন্নাহ মাদরাসার দখলীয় জমি কুচক্রী মহল কর্তৃক জবরদখলের অপচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাদরাসার জমি জোরপুর্বক দখলকে কেন্দ্র করে এলাকায় প্রতিষ্টান বনাম চক্রটির মধ্যে উত্তেজনা চলছে। যে কোন মহুর্তে বড় ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে। ৭ডিসেম্বর বেলা ১১টার দিকে মাদরাসার জমি দখলকে কেন্দ্র করে দু‘পক্ষ মুখামোখী অবস্থান নেয়। বিএস ১৯৫৭,১৯৬৬ খতিয়ানের ৩০৭,৩০৬,৩০৯,৩১১নং দাগের অধীনে মাথাখিলাসহ ১৪০শতক জমি স্বাধীনতার অনেক আগে থেকে মাদরাসা ভোগ দখল করে আসছিলেন। জমিটি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার জামাল আহমদের পিতা মৃত আব্দুল জাব্বার সিকদারের পুত্র মাওলানা আবুল হাশেম ও তাঁর ভাই হাজ¦ী সুলতান আহমদ ওয়াকফমুলে হ্নীলা মাদরাসায় দান করেন। যা যুগ যুগ ধরে হোয়াকিয়াপাড়া এলাকার মৃত হাজ¦ী মকবুল আহমদের পরিবার উল্লেখিত জমি চাষাবাদ করে আসছিলেন বলে ইব্রাহীম নামের এক চাষা এই প্রতিবেদককে জানান। তাকে(মাদরাসার চাষা) দু‘য়েকদিন ধরে বর্গা চাষী জনৈক নুরুল হুদা এবং নুরু জমিতে না নামতে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছেন। এদিকে ৫০বছর পরে এসে পশ্চিম পানখালী এলাকার মৃত আহমদুর রহমানের পুত্র গোলাম মোস্তফা মাদরাসার জমি তার দাবী করে সিকদারপাড়া এলাকার রস্তম আহমদের পুত্র উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদাকে বর্গা দেন। নুরুল হুদা, নাটমুরাপাড়া এলাকার জমির মাঝি ছেলে নুরু ও তার অপরাপর সহযোগীরা জমি দখলে নিতে গেলে ঘটনার দিন মাদরাসা কর্তৃপক্ষ বাধা দেন। এতে নুরুল হুদা গং এবং মাদরাসা কর্তৃপক্ষ মুখোমুখী অবস্থান নিলে স্থানীয় এলাকাবাসী হস্তক্ষেপ করেন। প্রসিদ্ধ লবণ ও ধান ব্যবসায়ী খলিল আহমদ জানান, আসলে জমির প্রকৃত মালিক মাদরাসা। যুগ যুগ ধরে মাদরাসা কর্তৃপক্ষই ভোগ দখল করে আসছিলেন। সাবেক মেম্বার আলী আহমদ জানান, কিছু কুচক্রী মহল মাদরাসার জমি দখল করতে যাচ্ছে শুনে এলাকাবাসীসহ তাদের প্রতিরোধ করেছি। মাদরাসার শিক্ষক মৌলভী আব্দুস শুক্কুর জানান, পানখালী এলাকার গোলাম মোস্তফা(জঙ্গিনেতা হাফেজ ছালাহুলের আশ্রয়দাতা), সিকাদারপাড়া এলাকার ছাত্রদল নেতা নুরুল হুদা, নাটমুরাপাড়া এলাকার নুরু প্রতিষ্টানের জমি দখলে নিতে গেলে এলাকাবাসীর সহায়তায় ছাত্র-শিক্ষক তাদেরকে পিছু হটিয়ে দেয়। মাদরাসার পরিচালক মাওলানা আবছার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, প্রতিষ্টানের জমি রক্ষায় তিনি জমি জবরদখলকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করছেন বলে জানান। জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মজিদ বলেন, মাদরাসার জমি দখলের বিষয়ে আমাদের অবগত করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।