মিয়ানমারের রোহিঙ্গা আগমনে বন ভূমি ধ্বংসের আশংকা

Forest.jpg

আবুল কালাম আজাদ, টেকনাফ ::
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার পর হাজার হাজার রোহিঙ্গা বিভিন্ন কলাকৌশলে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করছে। এদেরকে নির্দিষ্ট স্থানে না রাখার কারণে ছিটিয়ে-ছড়িয়ে বিভিন্ন লোকালয়ে চলে যাচ্ছে। এর বেশীর ভাগই আশ্রয় নিচ্ছে পাহাড়ের পাদদেশে। সেখানে অনেক রোহিঙ্গা পূর্বে আসা রোহিঙ্গাদের যোগসাজশে পাহাড়ী বন ভূমিতে ঘর-বাড়ী নির্মাণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমনকি টেকনাফ থেকে উখিয়া পর্যন্ত অনেক পাহাড়ী অঞ্চলে বাড়ী নির্মাণ করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এ বাড়ী-ঘর নির্মাণ অব্যাহত থাকলে অনেক পাহাড়ী বন ভূমি সাথে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও ধ্বংস হয়ে যাবে। এ ব্যাপারে কক্সবাজার উত্তর ও দক্ষিণ বন বিভাগ পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে স্বল্প সময়ে বন ভূমি দখল অব্যাহত থাকবে। প্রতিদিন টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলার সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে যে হারে রোহিঙ্গা আগমন ঘটছে তাদেরকে নির্দিষ্ট স্থানে পূর্ণবাসন করা না গেলে সিংহ ভাগ অনুপ্রবেশ কারী রোহিঙ্গা বনাঞ্চলে ঢুকে পড়বে। সেখানে পাহাড় ও সংরক্ষিত বনের গাছ কেটে তৈরি করবে ঘর-বাড়ী। স্থানীয় সূত্রে জানায় কতিপয় বাংলাদেশী আদম পারাপারের দালাল অর্থের বিনিময়ে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গা নিয়ে আসছে। ঠিক তদরুপ কতিপয় বন খেকো পাহাড়ী বন ভূমি বিক্রি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় সচেতন মহল জানান মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদেরকে নির্দিষ্ট স্থানে রাখা একান্ত জরুরী। পূর্ণবাসন করা গেলে নিরুপন যেমন সহজ হবে তেমনি বন ভূমি রক্ষা পাবে। এছাড়া বর্হিবিশ্বে কোন প্রতিনিধি দল পরিদর্শন করলে দেখতে পাবে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী কর্তৃক অত্যচারিত রোহিঙ্গার সংখ্যা। এ ব্যাপারে জরুরী পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।