ধর্ষণ মামলার সাজাপ্রাপ্ত অাসামী প্রকাশ্যে

.jpg

রফিক মাহমুদ, উখিয়া :
টেকনাফ উপজেলায় ৭ বছরের এক সাজাপ্রাপ্ত আসামী থানা পুলিশের ছত্র ছায়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া উঠেছ। ইয়াবা ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্ট সাজাপ্রাপ্ত বেলা কাদেরের ছেলে জহুর আলমের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় ধর্ষনের একটি মামলাও রয়েছে। টেকনাফ থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে প্রভাবশালী ইয়াবা সিন্ডিকেটের সাথে সখ্যতা রেখে বহাল তবিয়তেই জহুর আলম হৃীলা ইউনিয়নের লেদা এলাকায় পাইকারী ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রসাশনের ভুমিকা নিয়ে জনমনে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, র‌্যারের ত্রুসফায়ারে নিহত চিন্থিত ইয়াবা গড়ফাদার নুর মোহাম্মদের লেবার হিসেবে ইয়াবা ব্যবসায় সম্পৃক্ত হওয়া জহুর আলম ২০১৩ সালের ১৪ জুলাই চট্টগ্রাম নগরের সিটি গেট এলাকা থেকে সাত হাজার ৬০০ ইয়াবা সহ আটক হয়ে চট্রগ্রাম আকবর শাহ থানার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন মামলায় ২ বছর জেল খাটে। জামিনে বেরিয়ে এসে পুনরায় ফিরে যায় পুরানো ইয়াবা বানিজ্যে। অল্পদিনেই লেদা এলাকায় ইয়াবার পাইকারী গড়ফাদার হিসেবে পরিচিত লাভ করে। ভাই নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ নুর ও নুরুল আলম সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের সহযোগীতায় প্রভাব বিস্তার করে নিয়ন্ত্রনে নেয় লেদা এলাকার ইয়াবা ব্যবসা। মামলা থাকার পরও থানা পুলিশ ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের ম্যানেজ করে জহুর আলম লেদা এলাকায় প্রকাশ্যে রমরমা ইয়াবা বানিজ্য চালিয়ে। সে চট্রগ্রামের এক মামলায় ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত অাসামী। গত ১৭ অক্টোবর জহুর আলমের বিরুদ্ধে কিশোরী অপহরন ও ধর্ষনের অভিযোগে কিশোরীর ভাই জামাল হোসেন বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় ধর্ষন মামলা রুজু করে। যার নং-৩২ তারিখ-১৭/১০/২০১৬। কিন্ত প্রকাশ্যে সে মামলায় জামিন না নিয়েও সে বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশের খাতায় সে পলাতক। মামলার বাদী জামাল হোসেনের অভিযোগ প্রভাবশালী ব্যাক্তিদের মাধ্যমে মামলা তুলে নিতে হুমকি ধমকি দিয়ে যাচ্ছে জহুর আলমসহ অন্যন্য আসামীরা।আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনভাবে শংকিত অবস্থায় দিনানিপাত করছি।
এ ব্যাপারে টেকনাফ থানার ওসি আবদুল মজিদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সাজাপ্রাপ্ত আসামী প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোর কোন সুযোগ নেই। তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।