টেকনাফ সড়কের গাড়ি থামিয়ে একযাত্রীকে প্রহার ও টাকা-স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ!

3701820150223143532.jpg

সাদ্দাম হোসাইন, হ্নীলা।
কক্সবাজার থেকে ফেরার পথে টেকনাফ সড়কের মিনাবাজারে গাড়ি থামিয়ে একযাত্রীকে প্রহার এবং নগদ টাকা-স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে দূর্বৃত্তরা নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়-৪ডিসেম্বর বিকাল পৌনে ৪টারদিকে কক্সবাজার লিংকরোড হতে নাফ সার্ভিসের (কক্সবাজার-জ-১১-০২১৭)গাড়িতে করে টেকনাফে যাত্রাকালে স্পেশাল বাসের চেয়ে নাফ সার্ভিস আগে যাওয়ার বিষয় নিয়ে টিকেট বিক্রেতা ও মামুন নামে একযাত্রীর মধ্যে তর্ক-বির্তক লাগে। শেষ পর্যন্ত ঐ যাত্রী নাফ সার্ভিস নিয়ে যাত্রা করেন। ঐ যাত্রী গাড়িতে অবস্থানকালীন মুঠোফোনে সাঙ্গ-পাঙ্গদের গাড়ি আটকানোর জন্য তৈরী থাকতে বলে। চালক ও হেলপার বিষয়টি গাড়ির মালিককে জানালে মালিক মুঠোফোনে ক্ষমা চান। এতেই যাত্রী মামুন উত্তেজিত থাকলে গাড়ি বালুখালী পান বাজারে এলেই হেলপার ভয়ে নামিয়ে যায়। এরপরও ক্ষুদ্ধ যাত্রী মামুন চালকের উপর সওয়ার হলে চালক থাইংখালী এসে গাড়ির স্টার্ট বন্ধ করে দাড়িয়ে থাকলে গাড়ির যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়ে। এরই মাঝে গাড়িতে থাকা যাত্রী হ্নীলা ইউনিয়নের পূর্ব সিকদারপাড়ার মৃত ছৈয়দ আলমের পুত্র নুর মোহাম্মদ চালককে জিজ্ঞাসা করেন চালক সাহেব কি হয়েছে গাড়ি কেন বন্ধ করে রাখছ জানতে চাইলে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মিনাবাজার পৌঁছলে মারধরের ভয়ে গাড়ি বন্ধ রেখেছে বলে জানান। এতে যাত্রী নুর মোহাম্মদ ছোট এই বিষয় নিয়ে উভয়পক্ষকে বাড়াবাড়ি ও ঝগড়া না করার জন্য বলেন। এতে ক্ষুদ্ধ মামুন আর ঝগড়া না করবে বলে গাড়ি চালাতে থাকে। মাগরিবের পর গাড়ি মিনাবাজার ষ্টেশনে পৌঁছলে ঝগড়াটে যাত্রী স্থানীয় মৃত হাছনের পুত্র মামুনের ভাই ইসমাঈল, ইলিয়াছ,ইসলামসহ ৪/৫জন মিলে গাড়ি থামিয়ে চালককে টানা-হেছঁড়া করার পর বিনা কারণে অপর যাত্রী নুর মোহাম্মদকে মারধর করার পর ৩৭হাজার টাকাসহ মানিব্যাগ ও ১২আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ করেন। এই ব্যাপারে অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।এই ব্যাপারে স্থানীয় মেম্বার শাহ আলমকে অবহিত করা হলে খোঁজ নিয়ে বিষয়টি সমাধান করা হবে বলে আশ^াস দেন। হামলার শিকার নুর মোহাম্মদ উপযুক্ত বিচার না পেলে আইনের আশ্রয় নেবেন বলে জানান।