লবণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় টেকনাফে আগাম লবণ উৎপাদনে মাঠে নেমে পড়েছে চাষীরা

hqdefault-1.jpg

মোঃ আশেকউল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ |
লবণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায়, টেকনাফে আগাম লবণ উৎপাদনে মাঠে নেমে পড়েছে চাষীরা। গত বছর জেলায় লবণ উৎপাদনে লক্ষমাত্রা অর্জিত না হওয়ার কারণে লবণের ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে লবণের দাম বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। ২০১৬-২০১৭ লবণ উৎপাদন, মওসূম বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) কক্সবাজার জেলার ১৮ লক্ষ মেট্রিকটন (পরিবেশাধিত আকার) লবণ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। আশা করা যায় আবাহাওয়া অনুকূলে থাকলে লবণ উৎপাদনে লক্ষ মাত্রা অর্জন করা যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। টেকনাফ উপজেলার চার ইউনিয়নে ২ হাজার ৭ শত একর লবণ মাঠে ১৮ শত ৭৫ জন চাষী চলতি মওসূমে লবণ উৎপাদন করবে। এ চার ইউনিয়ন হচ্ছে, হোয়াইক্যং ৯৯২ একর, হ্নীলা ১ হাজার ৮৪ একর, সাবরাং ৩৮৭.৬০ একর, টেকনাফ সদর ২১.৪০ একর ও শাহপরীরদ্বীপে ৪৪.২০ একর। গত বছর ১৮ লক্ষ মেঃ টন লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ১৫ লক্ষ ৫৫ হাজার মেঃ টন লবণ উৎপাদিত হয়েছে। অবশিষ্ট আড়াই লক্ষ মে: টন লবণ উৎপাদন ঘাটতি রয়েছে। যার কারণে লবণের সংকটে পড়ে এবং এর ফলে লবণের দাম বৃদ্ধি পায়। লবনের ঘাটতি পোষাতে এবং লবণের ন্যায্য মূল্য পেতে চাষীরা আগে ভাগে লবণ উৎপাদনে মাঠে নেমে পড়েছে। টেকনাফ লবণ কেন্দ্র দায়িত্বে নিয়োজিত মোঃ মিজানুর রহমান জানায়, টেকনাফের লবণে মাঠ জেলার অন্যান্য এলাকার চেয়ে বেশী উর্ধর এবং লবণে পানি ঘনত্ব বেশী। তাই চলতি লবণ মওসূমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে লবণের বামপার ফলন হবে। এছাড়া এবছর চাষীরা লবণের ন্যায্য মূল্য পাওয়ার চলতি মাসে আগাম মাঠে নেমে পড়েছে।