টেকনাফে যৌথ টাস্কফোর্স অভিযানে রোহিঙ্গা পাচারে সহায়তাকারী ৭ দালাল আটক : বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

Teknaf-picmobile-court_7_24.11.16.jpg

রাশেদ মাহমুদ রাসেল, টেকনাফ |
সীমান্তে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি, কোস্টগার্ড ও পুলিশ।
তবে গত কয়েকদিনে দেশের অভ্যন্তরে অসংখ্য রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে স্থল ও নদীতে বিজিবি ও কোষ্টর্গাডের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) ভোরে টেকনাফ উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা মোঃ শফিউল আলম ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) তুষার আহম্মেদের নেতৃত্বে বিজিবি ও পুলিশের পৃথক যৌথ টাস্কফোর্স অভিযানে রোহিঙ্গা পারাপারের সহযোগিতার অভিযোগে ৭ দালালকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হল, টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের নাইক্ষংখালী এলাকার আবুল হাসিমের ছেলে মোঃ আলম(৪৫), দমদমিয়া এলাকার সালামত উল্লাহর ছেলে মোঃ জুবাইর (২২), একই এলাকার বাঁচা মিয়ার ছেলে মোঃ ইদ্রিস(২৪) পৌরসভার নাইট্যংপাড়া এলাকার মৃত আব্দুস শুক্কুরের ছেলে মোঃ শফি উল্লাহ(৪২), একই এলাকার মৃত ওবাইদুর রহমানের ছেলে শামসুল আলম(৪৫), নাজির আহাম্মদের ছেলে সেকান্দর বাদশা(২৮) ও হ্নীলা মোচনী পাড়া এলাকার নূরুল ইসলামের ছেলে মোঃ জালাল উদ্দীন(৩৩)।

একইদিন দুপুরে উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা মোঃ শফিউল আলম ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) তুষার আহম্মেদের নেতৃতে পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে আটক শফি উল্লাহ, শামসুল আলম, সেকান্দর বাদশাকে ২ মাসের এবং মোঃ আলম, মোঃ জুবাইর, মোঃ ইদ্রিস ও মোঃ জালাল উদ্দীনকে এক মাস করে সাজা প্রদান করা হয়।

পরে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের কক্সবাজার জেলে প্রেরনের জন্য টেকনাফ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে জানায়।