উখিয়ার সরকারী বন ভুমির মাটি যাচ্ছে ইট ভাটায়

99000.jpg

নিজস্ব প্রতিনিধি, উখিয়া |
উখিয়ার সরকারী বন ভুমির পাহাড় কাটা থামছেনা। ইট ভাটা গুলোতে ওই সব সরকারী বন ভুমির মাটি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। যেমনি ভাবে পাহাড় কাটা হচ্ছে এ ভাবে চলতে থাকলে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংকা দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, উখিয়ার রেঞ্জের আওতায় দোছড়ি বন বিট। ওই খানে মৃত আব্দুস শুক্ররের ছেলে নজরুল ইসলাম ও মৃত ছিদ্দিক আহম্মদের ছেলে ইন্নমিন্না গাড়ী যোগে সরকারী বন ভুমির মাটি কেটে ইট ভাটা গুলোতে পাচার করছে। কারন এখন ইট তৈরির পুরোদমে কাজ চলছে রতœাপালং, হলদিয়া পালং ইউনিয়নে। এ ছাড়াও উখিয়ার পার্শ্ববর্তী রেজু আমতলী, মগপারা, ছাইল্ল্যাতলী ও আজুখাইয়ায় ইট তৈরির কাজ শুরু হওয়ায় ইট ভাটার মালিকেরা স্থানীয় বন বিভাগের কতিপয় বন বিট কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে সরকারী বন ভুমির পাহাড় কেটে ইট তৈরির জন্য মাটি নিয়ে যাচ্ছে। দোছড়ি বন বিট কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন গজনবীকে ম্যানেজ করে ১০/১২ টি ইট ভাটার মালিক সরকারী এ বন ভুমির পাহাড় কেটে দিনে রাত্রে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। বলতে গেলে দোছড়ি এলাকাটি এক সময়ের ভরপুরে গাছ গাছালি বনে ছিল। বিট কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন গজনবী ওই বিটে যোগদান করার পর থেকে বনের গাছ ও সরকারী বন ভুমি বিক্রি করে বলতে গেলে এখন গাছ শূন্য হওয়ার পাশা পাশি বন ভুমি ও বেদখল হয়ে গেছে। বেদখল হয়ে যাওয়ায় বন ভুমি থেকে ডাম্পার ও মিনি ট্রাক দিয়ে প্রতিনিয়ত ইট ভাটা গুলোতে মাটি পাচার করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম ও ইন্নমিন্না বলেন, বিট কর্মকর্তা গজনবী কে টাকা দিয়ে এ পাহাড় কাটা হচ্ছে। এ ব্যাপারে, দোছড়ি বন বিট কর্মকর্তা আমির হোসেন গজনবী বলেন, আমি কারো নিকট থেকে টাকা নেয়নি। তবে পাহাড় কাটার কথা শুনেছেন বলে জানিয়েছেন। এ ছাড়া হেডম্যান বেদু পাহাড় কর্তনকারীদের নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়েছে বলে সে জানান। এ ব্যাপারে হেডম্যান বেদু জানান, বিট কর্মকর্তা আমির হোসেন গজনবী পাহাড় কর্তনকারী, গাছ বিক্রি ও টাকার বিনিময়ে বন ভুমি বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিলেও আমার করার কিছু নেই। সে দাবী করেন পাহাড় কাটার সাথে তার কোন যোগসূত্র নেই। উখিয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী বন সংরক্ষক সরওয়ার আলম জানান, পাহাড় কর্তনকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে