টেকনাফে স্পেশাল বাস থেকে ১৬ হাজার ৭’শ পিচ ইয়াবা উদ্ধার : চালক লেদার সোনামিয়া আটক

4444343333.jpg

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি |
টেকনাফে স্পেশাল বাসের ব্যাক লাইটের ভিতর করে অভিনব উপায়ে পাচারের সময় ১৬ হাজার ৭শ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি। এসময় পাচারে জড়িত বাসের চালক হ্নীলা ইউনিয়নের উত্তর লেদা গ্রামের মৃত গোরা মিয়ার পুত্র সোনা মিয়া (৩০) কে আটক করা হয়েছে। তবে বাসের সুপারভাইজার উখিয়ার বালুখালী গ্রামের মোঃ নুরের পুত্র মুর্শেদ আলম (২২) ও হেলপার মোঃ রাসেল (২০) পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
১৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দমদমিয়া বিজিবি চেকপোষ্টে ইয়াবা উদ্ধারের এ ঘটনা ঘটে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ থেকে কক্সবাজারমুখী যাত্রীবাহী স্পেশাল সার্ভিসের বাস নং-কক্সবাজার জ-১১-০১২২ দমদমিয়া বিজিবি চেকপোস্টে পৌঁছলে হাবিলদার আবুল হোসেনের নেতৃত্বে টহল দল নিয়মিত তল্লাশীকালে বাস চালক, সুপারভাইজার ও হেলপার পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় পিছু ধাওয়া করে চালককে আটক করা হলেও সুপারভাইজার ও হেলপার পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে গাড়ি তল্লাশী করে বাসের পেছনে ব্যাক লাইটের ভেতর লুকিয়ে রাখা ১৬ হাজার ৭০০ পিস ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। যার মুল্য ৫০ লক্ষ ১০ হাজার টাকা।

ইয়াবাসহ আটক বাস চালক সোনা মিয়াকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ মামলায় সুপারভাইজার ও হেলপারকে পলাতক আসামী করা হয়েছে।

তবে স্পেশাল বাসটি আটক করা হয়েছে নাকি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে সেটি বিজিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।

এদিকে অনুসন্ধানে জানা গেছে, টেকনাফ স্পেশাল বাস সাভিসের বেশ কিছু মালিক ইয়াবা ব্যবসায়ী। এই ইয়াবা ব্যবসায়ীরাই চালক হেলপারকে দিয়ে ইয়াবা পাচার চালিয়ে যাচ্ছে। আবার একশ্রেনীর চালক হেলপারও রয়েছে যারা ইয়াবা পাচার করে বর্তমানে কোটি টাকার মালিক বনে গেছে। এমনকি টেকনাফ থেকে ইয়াবার বড় বড় চালান পাচার হয়ে আসছে বিভিন্ন যানবাহনের চালক-হেলপারদের যোগসাজসে।

এব্যাপারে বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারীর দাবী করেছে সচেতন মহল।