মিয়ানমারে সহিংস ঘটনায় দলে দলে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশের প্রহর গুনছে

file-7.jpeg

ফাইল ছবি

আবুল কালাম আজাদ, টেকনাফ |
মিয়ানমারে সহিংস ঘটনায় দলে দলে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশের প্রহর গুনছে। কক্সবাজার বিজিবি সেক্টর বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে প্রচুর বিজিবি মোতায়ন করেছে। এর পরও রোহিঙ্গা মুসলমানেরা সীমান্ত রক্ষীবাহিনীকে ফাঁকি দিয়ে রাতের অন্ধকারে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করছে। বিজিবি টেকনাফ সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে স্থানীয় লোকজনদের নিয়ে সচেতনতা মূলক সভা করে যাচ্ছে। গত কয়েক দিনে বিজিবি ৮৬ ও ৪৬ জন রোহিঙ্গা নাগরিককে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে আটক করে পুশব্যাক করেছে। এর পরেও অনুপ্রবেশ ঠেকানো যাচ্ছেনা।

উল্লেখ্য যে গত ৯ নভেম্বর মিয়ানমারের আরকান প্রদেশের বলিবাজার এলাকায় একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী সে দেশের সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর চৌকিতে হামলা চালায়। হামলা চালিয়ে ৭ জন সীমান্ত রক্ষীবাহিনীকে হত্যা করে গোলা বারুদ নিয়ে যায়। এ ঘটনা নিয়ে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ঘটনা স্থল এলাকায় ব্যাপক অভিযানের নামে রোহিঙ্গা মুসলমানের উপর অত্যাচার চালাছে বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে জানা গেছে।

এ অত্যাচার থেকে রেহায় পাওয়ার জন্য নারী শিশুসহ অসংখ্য লোকজন বাংলাদেশ-মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। এদের উদ্দেশ্য বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করা।

সূত্রে জানায় বিগত ১৯৭৮ ও ১৯৯১ সালে দুদফায় রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। তৎমধ্যে ১৯৯১ সালে আসা প্রায় ৩২ হাজার রোহিঙ্গা এখনো পর্যন্ত শরনার্থী হিসেবে বাংলাদেশে রয়ে গেছে। এদেরকে বাংলাদেশ সরকার কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার নয়াপাড়া ও উখিয়া উপজেলার কুতুপালং এলাকায় শিবিরে অবস্থান করছে।

স্থানীয় সচেতন মহল জানায়, কতিপয় আর এস ও নেতা নামধারী আরকান প্রদেশ স্বাধীনের নাম দিয়ে বিভিন্ন দেশে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা আদায় করে আসচ্ছে। এদের কাজ হচ্ছে শান্ত এলাকাকে অশান্ত করে বারংবার মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদেরকে বাংলাদেশে শরনার্থী হিসেবে নিয়ে আসা। এদেরকে বাংলাদেশে নিয়ে আসতে পারলে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে শরনার্থীদের ভিডিও ফুটেজ পাঠিয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায় করায় হচ্ছে তাদের কাজ।