টেকনাফে শীতের আগমনে ফুটপাতে শীতবস্ত্রের বেচা বিক্রি শুরু

pic-17-11-16-.jpg

মুহাম্মদ জুবাইর, টেকনাফ::
টেকনাফ ধীরে ধীরে অনুভূত হচ্ছে ঠান্ডা হাওয়া ও শীতের কুয়াশা।বইছে ঠান্ডা হিমেল হাওয়া।সকালে বিছানা হতে উঠি-উঠি করেও উঠতে ইচ্ছে করছে না। শিয়রে হিং¯্র শীত কেশর ফুলিয়ে, থাবা পেতে বসে আছে। পড়ন্ত বিকেলের হালকা হিমেল হাওয়া ও রাত গভীরের ঠান্ডা জানান দিচ্ছে শীত এসেছে। আর এই আসন্ন শীত মৌসুমকে সামনে রেখে জেলার অন্যান্য স্থানের মতো সীমান্ত উপজেলা টেকনাফেও আসতে শুরু করেছে শীতবস্ত্র।মূলত শীতের প্রকোপ আস্তে আস্তে বাড়তে থাকলে পুরানো কাপড়ের ব্যবসা জমে ওঠে জেলার অন্যান্য জায়গার মতো টেকনাফেও। এরই ধারাবাহিকতায় টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন ফুটপাত ও মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন ধরনের পুরানো শীতবস্ত্রের পাশিপাশি উন্নত ও বিভিন্ন মানের জ্যাকেট এবং বেলুজারের ব্যবসা চলছে ভালোভাবে। টেকনাফের বিভিন্ন বিপণি বিতান, মার্কেট ও শপিংমলে আসতে শুরু করেছে শীত নিবারণের সস্তাও দামি মানের শীতবস্ত্র।
টেকনাফের বিভিন্ন বাজার আরো ঘুরে দেখা যায়, বড় বড় শপিংমল, মার্কেট ও বিপণি বিতানের চেয়ে ফুটপাত এবং ছোট ছোট কম দামের দোকানে ক্রেতাসাধারণের পরিমাণ বেশি, যেহেতু টেকনাফের দরিদ্র মানুষের সংখ্যা কম নয়। আর এরই মাঝে পর্যটন মৌসুম শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদের মাঝেও শীতের কম্বল বেচাবিক্রি হচ্ছে অন্যান্য মৌসুমের তুলনায় বেশি।পৌর এলাকার স্টেশনের ফুটপাতের পুরানো শীতবস্ত্র বিক্রেতা জামাল উদ্দিন জানান, প্রতিবছরের মতো এই বছরও ফুটপাতে শীতের গরম কাপড় বিক্রি শুরু করেছি। বেচাবিক্রি মোটামোটি ভালো। শীতের প্রকোপ আরো বাড়লে বেচাবিক্রিও বাড়বে। তবে গত বছরের চেয়ে মানভেদে শীতের কাপড়ের দামের একটু তারতম্য রয়েছে বলে তিনি জানান তিনি। টেকনাফ উপরের বাজারের কাপড় ও কম্বল বিক্রেতা গফুর ও এনাম সওদাগর জানায়, শীত ও পর্যটন মৌসুম শুরু হওয়ায় অন্যান্য সময়ের চেয়ে তাদের দোকানে কম্বল বিক্রি হচ্ছে বেশি। তারা আরোও জানান, গত বছর পর্যটক আগমন কম ছিল ফলে বেচাবিক্রি হয়েছিল কম। তবে এ বছর দেশের অবস্থা স্বাভাবিক ও শান্ত থাকায় পর্যটকরা আসতে শুরু করায় শীতবস্ত্র বেচাবিক্রি আগের বছরের তুলনায় বেশি হওয়ায় সম্ভাবনা রয়েছে।