উখিয়ায় বিট কর্মকর্তার তেলেছমাতিতে বন ভুমি বিলুপ্তির পথে

133.jpg

নিজস্ব প্রতিনিধি, উখিয়া |
কক্সবাজার দক্ষিন বন বিভাগের উখিয়া রেঞ্জের দোছড়ী বন বিটের আওতাধীন হরিণমারা এলাকায় বিট কর্মকর্তার সহযোগিতায় সরকারী বন ভুমির পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে, উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের হরিণমারা এলাকার হোছন আলীর ছেলে চিহ্নিত ভুমি দস্যু মোঃ শাহ আলম ও বাগানের পাহাড় নামক এলাকার পিটিং বদুর নেতৃত্বে ও তার চট্রমেট্রো অ/১১১ নাম্বারের অবৈধ ডাম্পার গাড়ী যুগে পাহাড় থেকে মাটি কেটে উপজেলার বিভিন্ন ইট ভাটায় পাচার করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। আর এতে স্থানীয় বিট কর্মকর্তা নীরব দর্শকের ভুমিকায় রয়েছে বলেও জানা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দোছড়ী বিট কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন গজনবীর হাতে উখিয়া সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে একাধিক বিট কর্মকর্তারা জিম্মি দশায় চাকরী জীবন চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা যায়। কারন বিভাগীয় বন কর্মকর্তার সাথে তার সর্ম্পক ভাল তাই। তাই তার দূর্ণীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ মূখ খুলতে সাহস পায়না।

বিশেষ সূত্রে জানা যায়, মুন্সী থেকে দোছড়ী বন বিট কর্মকর্তার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে অবাদে সরকারী বন ভুমির জমি বিক্রি, সরকারী বনে বাড়ী নির্মান ও অবৈধ বালি বানিজ্য থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে রাতারাতি শূণ্য থেকে কোটিপতির খাতায় নাম লিখিয়েছেন তিনি।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তার ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ও উখিয়া রেঞ্জের সিনিয়র কর্মকর্তাদের কে জিম্মি করে সে উক্ত অবৈধ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানা যায়।

স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ অচিরেই ভুমি দস্যু শাহ আলম ও ডাম্পার গাড়ীর মালিক পিটিং বদুর গাড়ী জব্দ করে তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সরকারী বন ভুমি শূণ্যের কোটায় চলে আসার আশংকা দেখা দেবে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত নুরুল আলম পাহাড় কাটার কথা অশ্বীকার করেন।

দোছড়ী বন বিট কর্মকর্তা আমির হোসেন গজনবী বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, তদন্ত করে ভুমি দস্যুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।