মনখালীতে জামায়াত বিএনপির নেতৃত্বে চলছে অবৈধ বালি বানিজ্য

.jpg

নিজস্ব প্রতিনিধি, উখিয়া |
উখিয়ার উপক’লীয় জালিয়াপালং ইউনিয়নের ছেপটখালী এলাকার খাল থেকে বি এনপি জামায়াতের চিহ্নিত ক্যাডার বাহিনীরা, স্থানীয় বন বিট অফিস ও ইনানী পুলিশকে মোটা অংকের টাকায় ম্যানেজ করে নীরবে চালিয়ে যাচ্ছে এ অবৈধ বালি বানিজ্য। হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। ধ্বংস করে যাাচ্ছে সরকারের লাখ লাখ টাকা ব্যায়ে নির্মিত সড়ক ও জনপদ। কিন্তু দেখার কেউ নেই। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কিছু কথিত দূর্ণীতিবাজ কর্মকর্তারা তাদের অবৈধ বালি বানিজ্যর কালু টাকার পাহাড়ের একটি অংশের কাছে জিম্মি হয়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে তাদেরকে নিরবে সহযোগীতা করে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। আর এতে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।
জানা গেছে, বি এনপি জামায়াতের ক্যাডার বাহিনীদের অবাদে বালি বানিজ্যর ফলে গ্রামীন সড়ক ও জনপদ বর্তমানে চরম বিপর্যয়ের মূখে পড়েছে বলেও জানা যায়। উক্ত সড়ক ও জনপদ বিলীন হওয়ার ব্যাপারে এলাকার কেউ মূখ খুলেল ওই সময় তাদের উপর নেমে আসে চরম নির্যাতন ও অত্যাচার। এলাকার একাধিক ব্যাক্তিরা অভিযোগ করে বলেন, কেউ যদি তাদের অবৈধ বালি উত্তোলনের ব্যাপারে কথা বলে তাহলে, তাকে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা ও গুলি করে হত্যার হুমকি ধমকি দিয়ে থাকে বলে জানা যায়। উক্ত বালি সিন্ডিকেটের অন্যতম গডফাদার ও প্রশাসন ম্যানিজকারী নামে খ্যাত মনখালী গ্রামের মৃত রাহামত শরিফের ছেলে মনখালী এলাকার আতংক বাহাদুর প্রকাশ বালি বাহাদুর, তার চেইন অব কমান্ড কুনার পাড়া এলাকার নুরু, বালি তৈয়ব সহ সিন্ডিকেটের গডফাদাররা স্থানীয় বন প্রশাসন, উখিয়া ভুমি অফিসের কথিত দূর্ণীতিবাজ কর্মকর্তাদের মোট অংকের টাকায় ম্যানেজ করে নিভিগ্নে এ অবৈধ বালি বানিজ্যর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। উক্ত অবৈধ বালি বানিজ্যর ফলে মনখালী, ছেপটখালী সড়কের যাতায়তের রাস্তা ও ২ শতাধীক বসত বাড়ী বিলীন হয়ে ভাঙ্গনের মূখে পড়ার উপক্রম দেখা দিয়েছে। তাই উক্ত বালি কেখোদের কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। এ ব্যাপারে, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন চৌধুরী বলেন, এরা দেশের আইন কানুন কিছুই মানে না, এরা নিজেই প্রশাসন, নিজেই সব কিছু।