টেকনাফ ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব

908.jpg

মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী |
মৌসূম পরিবর্তনের সাথে সাথে টেকনাফ ডায়রিয়া রোগের প্রার্দভাব ছড়িয়ে পড়েছে। ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে যারা সামর্থবান, সচেতন এবং হাসপাতাল নিকটবর্তী তারা ব্যাতীত অন্যান্য রোগীরা স্থানীয় হাতুড়ে ডাক্তারের চিকিৎসা সেবা নিচ্ছে। প্রত্যান্ত অঞ্চলে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বেশী হলেও তারা অর্থাভাব এবং যোগাযোগ সমস্যার কারণে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসতে পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে।

গত ১২ নভেম্বর সকাল ১১টায় টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ প্রতিবেদক পরিদর্শন করতে গেলে পুরুষ ও মহিলা ওয়ার্ড ছাড়া ও মেঝেতে অসংখ্যা নারী পুরুষ ও শিশু ডায়রিয়া রোগীরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে। এদের মধ্যে শিশু রোগীর সংখ্যা বেশী।

চিকিৎসা সেবা নিতে আসা ডায়রিয়া রোগী সেবা প্রার্থীরা হিমশিম অবস্থার মধ্যে রয়েছে। ডায়রিয়া রোগীর জন্য আলেদা ওয়ার্ড না থাকায় ওরা অন্যান্য রোগীর সাথে চিকিৎসা সেবা নিতে দেখা গেছে। এমনকি পুরুষ ওয়ার্ডে ও মহিলা রোগীরা সংমিশ্রনে চিকিৎসা সেবা নিলে ও অন্যান্য নিয়মিত রোগের সেবা প্রার্থীরা এ ডায়রিয়া রোগের আশংখাবোধ করছেন অনেকেই।

কর্তব্যরত ডাক্তারেরা রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে দেখা গেছে।

টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৪ জন ডায়রিয়া রোগী ভর্তি হয়েছে। এরা হচ্ছেন, টেকনাফ ডেইলপাড়ার শামসুল আলম (৬০), হ্নীলার রাকিবুল হাসান (২), হাতিয়ার ঘোনার তছলিমা(৯) অলিয়াবাদের আজিজা(৫), টেকনাফ পৌরসভার তানিছা (২) জালিয়াপাড়ার সাইফা (৬ মাস), শাহপরীরদ্বীপের বাগুমিয়া (৭০), বাহারছড়ার বড়ডেইলের মোস্তাফা খাতুন (৫৫), টেকনাফ মহেশখালীয়া পাড়ার শামসুন্নাহার (১৬), জালিয়াপাড়ার রফিক আলম (১৪মাস) জাদিমুড়ার কুমার দেব (১৫মাস), লেদার নুর জাহান (৫০), পানখালীর ওয়াহেদ (২), ছোট হাবিব পাড়ার মোহাম্মদ হোসেন (৭মাস), মহেশখালীয়া পাড়ার নুর ফরহাদ (১১মাস), লেঙ্গুরবি সুমাইয়া (১), শাহপরীরদ্বীপের সুমি আক্তার (১), পৌরসভার উত্তর চৌধুরী পাড়ার মোঃ জোবায়ের (১১মাস) সেন্টমার্টিনের হুজাইফা (১), মোঃ ইব্রাহিম (১), লেঙ্গুরবিলের নুরুল হক (৬) সাজেদা (১৮), হাবিবপাড়ার মোঃ হোসেন (৮মাস) ও সাবরাং মন্ডল পাড়ার রাশেদা (১০)।

টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডাঃ সুমন বড়–য়ার কাছে হঠাৎ ডায়রিয়া রোগের প্রাদুর্ভাব সর্ম্পকে জানতে চাইলে, তিনি বলেন, মৌসূম পরিবর্তন, পুষ্ঠির অভাব (শিশুদের), অপরিস্কার, অসচেতনতা ও বাসি খাবারের কারণে ডায়রিয়া রোগের মূল কারণ।

বর্তমানে ১১জন ডাক্তারের মধ্যে ৭ জন ডাক্তার কর্মরত আছেন। বাকি ২ জন ডেপুটেশন ও বদলীতে আছে। এছাড়া অপর ২ জন হাসপাতালের বাইরে চিকিৎসা কেন্দ্রে কর্মরত আছেন।