হোয়াইক্যংয়ে কয়েকটি পয়েন্টে রোহিঙ্গাদের নিয়ে রমরমা বাণিজ্য : ছিনিয়ে নিচ্ছে স্বর্ন টাকা ও মোবাইল

Rohinga_tt-pic_12345.jpg

নিজস্ব প্রতিবেদক, টেকনাফ |
সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি পয়েন্টে রোহিঙ্গাদের নিয়ে রমরমা বাণিজ্য চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কান্জর পাড়া, উনছিপ্রাং, লম্বাবিল, তেচ্ছি ব্রীজ, উলুবনিয়া সীমান্ত পয়েন্টে এ আদম বাণিজ্য চলছে।

জানা যায়, মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকা মংডুর পাশে সে দেশের বিজিপির ক্যাম্পে সন্ত্রাসী হামলার পর সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের ষ্টীম রোলার চলছে। অসংখ্য মুসলমান হতাহত সহ মুসলমানদের স্থাপনা, দোকান, মার্কেট বাড়ী ঘরে আগুন দিয়ে নিঃচিহ্ন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বিষয় টি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গনমাধ্যমে ও খবর প্রচারিত হয়েছে।

ঘর হারা, ভিটে হারা অনেকে নির্যাতিত মুসলমান জীবন বাজি রেখে শিশু সহ অনেক নারী পুরুষ গোপনে সীমান্ত অতিক্রম করছে। তবে বিজিবির শক্ত টহল ও অবস্থানের ফলে রোহিঙ্গারা বর্ডার অতিক্রম খুবই নগন্য।

এ সুযোগে সীমান্তের এক শ্রেনীর অসাধু আদম ব্যাবসায়ী সীমান্ত রক্ষী বিজিবির চোখে ফাঁকি দিয়ে মোটা টাকা নিয়ে রোহিঙ্গাদের পারাপারে সুযোগ করে দিয়ে একদিকে জনপ্রতি ১২শ থেকে দেড় হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছে।

অপরদিকে রোহিঙ্গাদের নিকট রক্ষিত নগদ টাকা, মহিলাদের স্বর্ন, আসবাব পত্র ছিনিয়ে নিচ্ছে বলে ও গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এভাবে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কান্জর পাড়া, উনছিপ্রাং, লম্বাবিল, তেচ্ছি ব্রীজ, উলুবনিয়া সীমান্ত পয়েন্টে হারদম চলছে আদম ব্যবসা।

উনছিপ্রাং এলাকার আমীর হোছন, রমজান উদ্দিন লেদু, লম্বাবিল ও তেচ্ছিব্রীজ এলাকায় নুর হোছন, লালু, ছৈয়দ হোছন, ফজল, বৈদ্য আব্দু রশিদের ছেলে জাফর, মৃত সুলতান আহমদের ছেলে মমতাজ, আলী আকবরের ছেলে লালু, আব্দু জলিলের ছেলে ফরিদ আলম, আবুল হাসেমের ছেলে, আয়াছ, উলুবনিয়া এলাকায় ফজল হাকিম, প্রতিনিয়ত রোহিঙ্গা এনে মোটা টাকার বিনিময়ে দেশের অভ্যান্তরে পাচার করে যাচ্ছে ।

সাম্প্রতিক কালে রোহিঙ্গাদের উপর সেদেশের নানা জুলুম নির্যাতনের পর মোটা টাকার চুক্তি তে অতি গোপনে সীমান্ত অতিক্রমে সহযোগিতা করছে। আবার চুরি করে আসা রোহিঙ্গাদের থেকে নগদ টাকা, স্বর্ন গোহনাপাতি লুট করে নিঃশ্ব করে ছেড়ে দিচ্ছে এ সব দালালরা।

গত কিছুদিন আগে হোয়াইক্যং এর তেচ্ছিব্রীজ এলাকায় রোহিঙ্গা এনে এক বাড়ীতে জমা রাখার খবর পেয়ে হোয়াইক্যং বিজিবির একটি দল অভিযান চালায়। বিজিবির অবস্থান টের পেয়ে দালাল ও রোহিঙ্গারা পালিয়ে যায়।