নাদা’র প্রভাবে টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি দমকা হাওয়া বয়ে চলছে

sssssssssssss.jpg

সেন্টমাটিনে নোঙ্গর করা ফিশিং ট্রলার..ছবি আমান উল্লাহ।

নিজস্ব প্রতিনিধি, টেকনাফ টুডে ডটকম |
নিম্বচাপের প্রভাবে টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিপাত সেই সাথে দমকা বাতাস বইতে শুরু করেছে। ধীরে ধীরে বাতাস ও বৃষ্টির তীব্রতা বেড়ে চলছে।
শনিবার দিনভর টেকনাফে আকাশ মেঘলা ছিল বিকাল থেকে হালকা গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিপাত শুরু হয় সেই সাথে বইতে থাকে মাঝারি ধরনের দমকা বাতাস।
দুপুর ২টার পর সংকেত বৃদ্ধি হয়ে ৪ নম্বরে উন্নীত হওয়ার প্রেক্ষিতে বিকালে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শফিউল আলম জানান, ঘুর্নিঝড় নাদা মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসন যথেষ্ট সতর্ক রয়েছে। সন্ধা ৬টায় আবারও সরকারী-বেসরকারী কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করবেন বলে জানান তিনি।
ঘুর্নিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচীর আব্দুল মতিন জানান, নিম্বচাপটি কক্সবাজার উপকূল থেকে ৫৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল। টেকনাফে ৯৯০ জন সিপিপি সদস্য প্রস্তুত রয়েছে।
এদিকে সেন্টমার্টিন আবাহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মুবিনুল হক জানান, সেন্টমার্টিনেও বিকাল থেকে তীব্র বাতাসের সাথে মাঝারী ধরনের বৃষ্টিপাত বয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টি ও বাতাসের তীব্রতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানান তিনি।
অপরদিকে সেন্টমার্টিন ভ্রমণে গিয়ে আটকা পড়েছে প্রায় শতাধিক পর্যটক। জাহাজ চলাচল না করায় শুক্রবার তারা ফিরতে পারেননি।
সেন্টমার্টিন ভ্রমণে গিয়ে আটকা পড়া টেকনাফ সাউথ ইস্ট ব্যাংক কর্মকর্তা আমান উল্লাহ জানান, সংকেত বেড়ে যাওয়ায় পর্যটকদের মধ্যে আতংকের সৃষ্টি হয়েছে।
ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ জানান, স্বপ্ন বিলাস, ব্লু মেরিন, প্রাসাদ প্যারাডাইসসহ বিভিন্ন হোটেল মোটেলে শতাধিক পর্যটক অবস্থান করছেন। তাদের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখছেন বলে জানান তিনি। এছাড়া সেন্টমার্টিনের জেলেদের সাগরে যেতে দেওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।