টেকনাফে গত ১মাসে বিজিবির অভিযানে ৩২কোটি ২০লক্ষ টাকার মাদকদ্রব্য ও চোরাইপণ্য উদ্ধার

unn444amed-1.jpg

১২৮টি মামলায় আটক-৩০ ঃ পলাতক-১২ আসামী
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম,টেকনাফ।
টেকনাফে বিজিবি জওয়ানেরা গত ১মাসে সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১শ ২৮টি মালিক ও মালিকবিহীন মামলায় ৩২কোটি ২০লক্ষ ১৮হাজার ৯শ ৫৩টাকার মাদকদ্রব্য ও চোরাইপণ্য উদ্ধার করেছে। এসব কাজে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ৩০জনকে আটক ও ১২জনকে পলাতক আসামী করে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সুত্র জানায়-গত ১অক্টোবর হতে ৩১অক্টোবর পর্যন্ত টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ বিওপি ও ক্যাম্পে দায়িত্বরত জওয়ানেরা অভিযান চালিয়ে ৪৩টি ইয়াবা মামলার বিপরীতে মালিকসহ ৮২হাজার ৪শ২০পিস ইয়াবা বড়ি ও মালিকবিহীন ৯লক্ষ ২৫হাজার ৯শ ৫৫পিস ইয়াবা বড়ি জব্দ করা হয়। মোট ৩০কোটি ২৫লক্ষ ১২হাজার ৫শ টাকা মূল্যমানের ১০লক্ষ ৮হাজার ৩শ ৭৫পিস ইয়াবার মামলায় ১৮জনকে আটক ও ৪জনকে পলাতক আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া আসামী বিহীন ৬টি মামলায় ১হাজার ৮শ ৪৯ক্যান বিয়ার,মালিকবিহীন ৭টি মামলায় ৫শ ৩৬বোতল জাতীয় মদ,দেশীয় চোলাই মদের ৭টি মামলায় ৬শ ৩০লিটারের বিপরীতে ২জনকে আটক ও ২জনকে পলাতক আসামী করা হয়। ৬০কেজি ১৬পুরিয়া গাঁজার ৩টি মামলায় ৩জনকে আটক ও ১জনকে পলাতক আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। ৮১বোতল ফেন্সিডেলের ২টি মামলায় ২জনকে আটক ও ১জনকে পলাতক আসামী করা হয়। এসব মাদকদ্রব্যের সিজার মূল্য ১৬লক্ষ ৯৮হাজার ৪শ ৫০টাকা। এছাড়া অস্ত্র উদ্ধারের ১টি পিস্তল উদ্ধারের মামলায় ১জনকে আটক ও ১জনকে পলাতক আসামী করা হয়। দেশীয় পাইপগান ও ১রাউন্ড কার্তূজ উদ্ধারের ১টি মামলায় ১জনকে আটক ও ৩জনকে পলাতক আসামী করা হয়। অন্যান্য ৫৭টি মামলায় ৩জনকে আটক করা হয়। যার সর্বমোট সিজার মূল্য ১কোটি ৭৮লক্ষ ৮হাজার ৩টাকা। সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ৬১জন পুরুষ,৩৬নারী ও ৩২শিশুকে আটক করে স্বদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।