টেকনাফে তেলাপিয়া ও পাঙ্গাস মাছের কদর বাড়লেও ক্যামিক্যাল মিশ্রিত মাছ বিক্রী হচ্ছে দেদারছে

unnamed-1-10.jpg

সাইফুল ইসলাম,টেকনাফ |
গত ৯ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত টানা বাইশদিন সকল ধরনের মাছ ধরার উপর সরকারি বিধিনিষেধ থাকায় টেকনাফের উপজেলার হাট-বাজারগুলোতে মাছের আকাল দেখা দিয়েছে।
৩০ অক্টোবর রবিবার টেকনাফ উপর বাজার ও ষ্টেশন বাজার পরিদর্শনকালে দেখা যায়, নদী ও সমুদ্রের মাছ ছাড়া পুকুর ও ঘেরে উৎপাদিত তেলাপিয়া, পাঙ্গাস, কৈ মাছ, কোরাল, টেংরা মাছ বেচা-বিক্রি হচ্ছে বেশী। তবে এসব মাছের মধ্যে দামে কম হওয়ায় তেলাপিয়া ও পাঙ্গাস মাছের চাহিদা বেশী। পাশাপাশি শুটকি মাছের চাহিদাও পরিলক্ষিত করা গেছে। এ ছাড়া চট্রগ্রাম ও দেশের অন্যান্য স্হান থেকে আনা কলম্বো, কৈ-পুটি ও সাদিনসহ ক্যামিক্যাল ও বিশেষ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে বরফে রাখা মাছও বাজারে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে। তবে চট্রগ্রামসহ অন্যান্য স্হান থেকে আনা মাছের চেয়ে পুকুর ও ঘেরে উৎপাদিত তেলাপিয়া, পাঙ্গাস ও ক মাছের বেচা- বিক্রি বেশী হচ্ছে বলে স্হানীয় মাছ ব্যবসায়ীদের সূত্র মতে। মাছ বাজারে আসা বীমাবিদ মাওলানা মো: ইসলাম জানান,সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকায় বর্তমানে মাছ বাজারে চরম আকাল। তবে স্হানীয়ভাবে বিভিন্ন ধরনের প্রজেক্টে উৎপাদিত মাছও পাওয়া যাচ্ছে। সেগুলো দিয়ে নিত্যদিনের মাছের চাহিদা কিছুটা হলেও পূরণ হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, চট্রগ্রামসহ বিভিন্ন স্হান থেকে এনে যেসব মাছ বর্তমানে বাজারজাত করা হচছে তা অনেকটা ফরমালিনসহ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত ক্যামিক্যাল ভরা। আর এসব মাছ খেয়ে অনেকে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তিনি এসব ক্যামিক্যাল মিশ্রিত মাছ বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে যথাযথ ব্যবস্হার নেয়ার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাছ বিক্রেতা বলেন, পুকুর ও ঘেরে উৎপাদিত মাছ দিয়ে নিত্যদিনের মাছের চাহিদা পূরণ করতে না পারায় দেশের উত্তরাঞ্চল থেকে আমদানি করা বিভিন্ন ক্যামিক্যালে ভরা মাছ বাজারে মাছের চাহিদা পূরণ করা হচ্ছে। তবে আগামী ২ নভেম্বর পর থেকে মাছ ধরার উপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে মাছের বাজার স্বাভাবিক অবস্হায় ফিরে আসবে।