হোয়াইক্যংয়ে আবুল হাসেম মেম্বারের নেতৃত্বে লালু মিয়ার পুত্র বধুকে অপহরণ পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় উদ্ধার : সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

.jpg

প্রতিকী ছবি

জাহাঙ্গীর আলম, টেকনাফ |
টেকনাফের হোয়াইক্যং দৈংগ্যাকাটা ৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার আবুল হাসেমের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী কর্তৃক স্থানীয় হাজ্বী লালু মিয়ার পুত্র বধুকে অপহরণ ও পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় উদ্ধার, আত্মীয় স্বজনদের কে মারধর করার এবং এ বিষয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় ৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার ভুমিদুস্য নামে পরিচিত আবুল হাসেম তার নিকটবর্তী হাজ্বী লালু মিয়া প্রকাশ নাগু হাজ্বীর দীর্ঘ ৩০ বছরের ক্রয়কৃত পুরানো বসত ভিটা দামী হওয়ায় ভুমিদুস্য মেম্বার আবুল হাসেমের কু-নজরে পড়লে সেই জমি তার দখলে নেওয়ার জন্য বিগত ৬/৭ মাস যাবত পায়তারা শুরু ও ষড়ষন্ত্র করে আসছে এবং হাজ্বী লালু মিয়া ও তার পরিবার বর্গকে বিভিন্ন সময় হুমকি দমকি দিয়ে যাচ্ছিল জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্য।
কিন্তু হাজ্বী লালু মিয়া তাতে অপরাগত প্রকাশ করায় হাসেম মেম্বার ক্ষুদ্ধ হয়ে গত ২৩ অক্টোবর সকাল ৭টা ৩০ মিনিটের দিকে তার কয়কজন সন্ত্রাসী বাহীনি নিয়ে হাজ্বী লালু মিয়ার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ফিল্মী ষ্টাইলে তার মেজ ছেলের পুত্র বধুকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তার শুর চিৎকার শুনে লালু মিয়া সহ আত্মীয়স্বজনরা পুত্র বধুকে উদ্ধার করতে গেলে লালু মিয়া ও তার আত্মীয়দের কে বেধরক মারধর করে গুরুতর আহত করে টাকা ও ব্যবহৃত স্বর্ণ ছিনিয় নেই এবং পুত্র বধুকে নিয়ে যাওয়ার সময় তার উপর নির্যাতন চালায় পরে স্থানীদের সহযোগতিায় আবুল হাসেম মেম্বারের বাড়ির সামনে থেকে উক্ত পুত্র বধুকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে টেকনাফ সদর হাসপালে নিয়ে যায়।
আহতরাও টেকনাফ সদর হাসপাতালে ভর্তি হলে কর্তব্যরত ডাক্তার হাজ্বী লালু মিয়া সহ তার পুত্র বধুর অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছে।

উক্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পৃথক দুইটি মামলা দায়ের হয়। মারধর ও টাকা,স্বর্ণ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে টেকনাফ মডেল থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হয়। যার নং জি-আর ৫৮৫/১৬ইং এবং পুত্র বধু অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল, কক্সবাজারে আরেকটি মামলা দায়ের হয়। যার নং সিপি-১৪৪০/১৬ ইং।
আরেক একটি সূত্রে জানা যায় যে, আবুল হাসেম মেম্বার বিগত সময় বিভিন্ন মানুষকে ধোকা দিয়ে আদালত বা থানায় মিথ্যা মামলা করিয়ে হয়রানি করা সহ ভূমি দখল করে এবং তার নিজ ইট বাটার জন্য মাটি ও পাহাড়ি গাছ কেটে জ্বালানী হিসাবে ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া যায়।
হাজ্বী লালু মিয়া ও তার আত্মীয় স্বজনকে গায়েল করা ও হয়রানি করার জন্য অজ্ঞাত মহিলা দ্বারা মিথ্যা মামলা করার পায়থারা চালাচ্ছে। মামলার বাদী হাজ্বী লালু মিয়া ও মামলার স্বাক্ষীগণকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দমকি দিচ্ছে আসামীগণ, এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় বাদী নিরাপত্তাহীনতায় জীবন যাপন করতেছে । এবিষয়ে বাদীর জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।####